প্রচ্ছদ

অভিজিৎ হত্যা : দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

১১ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:২৫

sylnewsbd.com

সিল-নিউজ বিডি-ডেস্ক :: মুক্তমনা লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা দুই আসামি হলেন— সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া ও আকরাম হোসেন। এছাড়া এ মামলায় ১৫ জনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

এর আগে গত ১২ মার্চ ছয়জনকে অভিযুক্ত এবং ১৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (পরিদর্শক) প্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিটে অভিজিৎ রায়ের স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাসহ ৩৪ জনকে সাক্ষী করেন।

মামলার অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), মো. আবু সিদ্দিক সোহেল (৩৪) ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব (সাংগঠনিক নাম সাকিব, সাজিদ, শাহাব), মো. আরাফাত রহমান (সাংগঠনিক নাম- সিয়াম ওরফে সাজ্জাদ) (২৪) ও হত্যাকাণ্ডে উসকানি বা প্ররোচনাদানকারী শাফিউর রহমান ফারাবী (২৯), সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (চাকুরিচ্যুত মেজর) তার সাংগঠনিক নাম সাগর ওরফে বড় ভাই (৪২) ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আব্দুল্লাহ (৩০)। এদের মধ্যে মেজর জিয়া ও আকরাম হোসেন পলাতক রয়েছে।

অব্যাহতি পাওয়া আসামিরা হলেন- সাদেক আলী ওরফে মিঠু, মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান, আমিনুল মল্লিক, জাফরান হাসান, জুলহাস বিশ্বাস, আব্দুর সবুর ওরফে রাজু সাদ, মাইনুল হাসান শামীম, মান্না ইয়াহিয়া ওরফে মান্নান রাহি, আবুল বাশার, মকুল রানা, সেলিম, হাসান, আলী ওরফে খলিল, অনিক ও অন্তু।

এদের মধ্যে আসামি সাদেক আলী ওরফে মিঠু, মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান, আমিনুল মল্লিক, জাফরান হাসান, জুলহাস বিশ্বাস, আব্দুর সবুর ওরফে রাজু সাদ ও মাইনুল হাসান শামীমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

মান্না ইয়াহিয়া ওরফে মান্নান রাহি ও আবুল বাশার চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান। মকুল রানা খিলগাঁও এলাকায় বন্ধুকযুদ্ধে মারা যান। অন্য পাঁচ আসামি সেলিম, হাসান, আলী ওরফে খলিল, অনিক ও অন্তুর নাম-ঠিকানা না পাওয়ায় তাদেরও অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে উগ্রপন্থীরা অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদকে কুপিয়ে জখম করে। আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অভিজিৎ রায়। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিজিতের বাবা অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সর্বাধিক ক্লিক