প্রচ্ছদ

জকিগঞ্জ-কানাইঘাটে অনেক উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছি: এমপি সেলিম

০৮ নভেম্বর ২০১৮, ২০:৩৯

329

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি :: জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিন এমপি বলেন, বিগত পাচঁ বছর মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি সমস্যাকে চিহ্নিত করে সমাধান করেছি। জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের রাস্তাঘাট, নদী ভাঙন রোধ, বিদ্যুৎ. স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। আমার উন্নয়ন অতীতের সব এমপির আমলের উন্নয়নের রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। আমার প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প দৃশ্যমান।

তিনি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জকিগঞ্জ-কানাইঘাট আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সিলেট-৫ আসনের মানুষ আমার আত্মার আত্মীয়। জনগন চাইলে অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করতে আবারো সংসদে যাবো। এমপি না হলেও আমি জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের মানুষের পাশে থাকবো। মানুষের ভালোবাসাই আমার একমাত্র সম্বল। বৃহস্পতিবার জকিগঞ্জের গঙ্গাজল হাসানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার জন্য জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হওয়া সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদ্রাসার গর্ভণিং বডির সভাপতি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মাওলানা আব্দুল মান্নানের সঞ্চালনায় শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ আনহারুল আলম, হামদ পরিবেশন করে মারুফ আহমদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, উপজেলা প্রকৌশলী রুবেল আহমদ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা কয়েছ উদ্দিন মাহমুদ, জকিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর জাপার সভাপতি আব্দুল মালেক ফারুক, প্রবীন মুরব্বি আতিকুর রহমান, শিক্ষক রফিকুল হাসান চৌধুরী, মাওলানা শিহাব উদ্দিন, মহানগর যুবসংহতি নেতা মাহমুদুর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা রেজাউল করিম রাজু, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, শিক্ষার্থী ফজল আহমদ প্রমূখ। মানপত্র পাঠ করেন শিক্ষক আনওয়ারুল আলম। অনুষ্ঠানে এমপি সেলিম উদ্দিনকে ও অনান্য অতিথিদেরকে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে মাদ্রাসা গর্ভণিং বডির সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, উপজেলার সবচেয়ে প্রাচীনতম ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১শ ১৩ বছর থেকে অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলো। এতে নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিলো শতবর্ষী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেলিম উদ্দিন এ আসনের এমপি হওয়ার পর বিষয়টি উনার নজরে আনার পরেই তিনি মাদ্রাসার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। তার আন্তরিক প্রচেষ্ঠায় গঙ্গাজল হাসানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার জন্য সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে একটি ভবন নির্মাণের প্রকল্প জাতীয় সংসদে অনুমোদন হয়েছে। এ জন্য এলাকাবাসী এমপি সেলিম উদ্দিনের কাছে কৃতজ্ঞ। এলাকার লোকজন কখনো এমপি সেলিম উদ্দিনের অবদানকে ভূলবেন না। শিক্ষা বান্ধব এমপি সেলিম উদ্দিন চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন।

অপরদিকে, বিকেলে সুরমা নদীর পাশে অবস্থিত কসকনকপুর ইউনিয়নের গাজির মোকাম দাখিল মাদ্রাসায় সেলিম উদ্দিন এমপিকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। ১৯৮১ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে কোন সরকারি ভবন নির্মাণ হয়নি। এলাকাবাসীর অনেক দিনের দাবি ছিল একটি তিন তলা ভবনের। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন বিরোধী দলীয় হুইপ সেলিম উদ্দিন এমপি। দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হওয়ায় সাধারণ মানুষ ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি বিরোধী দলীয় হুইপ এমপি সেলিম উদ্দিনকে সংবর্ধনা প্রদান করে।

0Shares

সর্বাধিক ক্লিক