প্রচ্ছদ

বড়লেখায় নারী আইনজীবী হত্যা: চারজনকে আসামী করে মামলা

২৮ মে ২০১৯, ১৪:৫২

sylnewsbd.com

বড়লেখা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নারী আইনজীবী আবিদা সুলতানার (৩৫) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় চার জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুরে নিহতের স্বামী শরীফুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলাটি করেন ।

মামলার আসামীরা হলেন, আবিদা সুলতানাদের বাড়িতে ভাড়া থাকা স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম তানভীর আলম, তার স্ত্রী হালিমা সাদিয়া, ভাই আফসার আলম ও শাশুড়ি নেহার বেগম। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আবিদা সুলতানাকে হত্যার ঘটনায় ইতোমধ্যেই ইমাম তানভীর আলম, স্ত্রী হালিমা সাদিয়া ও শাশুড়ি নেহার বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ভাই আফসার আলম এখনো পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোরকে মামলার বিষয়ে নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ডের জন্য আবেদন জানানো হবে এবং পলাতক আসামী আফসার আলমকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত, মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার কাঠালতলী এলাকায় আবিদা সুলতানা নামে এক আইনজীবী দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন। নিহত আবিদা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির মাধবগুল গ্রামের মৃত আব্দুল কাইয়ুমের মেয়ে। আব্দুল কাইয়ুমের তিন মেয়ের মধ্যে আবিদা সুলতানা বড়। প্রায় ৮ বছর আগে লালমনিরহাটের আদিতমারি থানার শরীফুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। আবিদা মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী। তাঁর স্বামী শরীফুল ইসলাম একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরী করেন। তিনি স্বামীর সঙ্গে মৌলভীবাজার শহরে বসবাস করতেন।

জানা যায়, ২৬ মে রোববার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টায় আবিদা বিয়ানীবাজারে বোনের বাড়িতে থেকে জরুরি প্রয়োজনে বাবার বাড়িতে যান। বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে আবিদার বোন তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাচ্ছিলেন না। পরে আবিদার বোনেরা তাকে খুঁজতে বাবার বাড়ি দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির মাধবগুল গ্রামে আসেন। বাড়িতে এসে তারা কাউকে পাননি। এ সময় ঘরের একটি কক্ষ বন্ধ দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে তারা পুলিশ নিয়ে গিয়ে ঘরের মেঝেতে বোনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

সর্বাধিক ক্লিক