প্রচ্ছদ

সাংবাদিক পাভেলের কাছে চাঁদা দাবি করলেন মোল্লা খলিল! (অডিওসহ)

১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৪৭

sylnewsbd.com

নিজস্ব প্রতিবেদক :: খলিলুর রহমান। তাকে একনামে মোল্লা খলিল বলে চেনেন সকলে। জিন্দাবাজার এলাকার একটি কম্পিউটার দোকানে বসে তিনি পরিচয় দেন সাংবাদিক!। তবে তিনি ‘আদৌ’ সাংবাদিক নন। তিনি একজন চাঁদাবাজও বটে। সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে তিনি নানাবিধ অপকর্মের সাথে নিজেকে আবৃত করে রেখেছেন।

এই খলিল একসময় তিনি খেলাফত মজলিসের নেতা বলে ঘুরে বেড়াতেন। যদিও তিনি ওই সংগঠনের কোন পদে ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র মতে, আফগান ফেরত খলিলুর রহমান বিভিন্ন সময় সরকার বিরোধী নানা অপপ্রচারে লিপ্ত ছিলেন। একই সাথে তার নানা অপকর্মের কারণে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে সিলেট জেলা প্রেসক্লাব থেকে বহিস্কিৃত হন।

সূত্র আরও জানায়, খলিলুর রহমান নামসর্বস্ব বিভিন্ন পত্রিকার পরিচয় দিয়ে নিজেকে সাংবাদিক বলে প্রকাশ করেন। তিনি ফেসবুকে ‘নিউজ ক্লাব’ নামের একটি আইডি থেকে নামীদামী ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে যাচ্ছেন। সেই ব্যক্তি উনার সাথে যোগাযোগ করলে উনি টাকা চেয়ে বসেন টাকা। ইজ্জতের ভয়ে লোকজন থাকে টাকা দিতে বাধ্য হয় বলেও সূত্র জানিয়েছে।

সবশেষ চলতি বছরের ৫ মার্চ মোল্লা খলিল ‘লোকান্তর ভালবাসা, লোকান্তর ভালবাসা’ আইডি থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিন সিলেট অফিসের স্টাফ ফটো সাংবাদিক নাজমুল কবির পাভেলের বিরুদ্ধে বানোয়াট কিছু লিখা পোষ্ট করেন। পাভেল ওইদিন রাতেই তার বিরুদ্ধে এসএমপির কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এমন তথ্য পেয়ে ৭ মার্চ খলিল বিষয়টি মধ্যস্ততার জন্য পাভেলের কাছে লোক পাঠায়। এরপরদিন ৮ মার্চ সন্ধ্যার পর বন্দর বাজারের রংমহল টাওয়ার একটি স্থানীয় দৈনিকের অফিসে মধ্যস্থতাকারীসহ খলিল-পাভেলের বৈঠক হয ৬৭ মিনিটের। খলিল পাভেলকে বলেন এই ‘লোকান্তর ভালবাসা, লোকান্তর ভালবাসা’ এই আইডি তিনি নিজে ও তার ‘ডারলিং’ পরিচালনা করে থাকেন। এরপর খলিল পাভেলকে জানান প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা তিনি তার ডারলিংকে দেন। পাভেল যদি খলিলকে ৫ হাজার টাকা দেন তা হলে আর কোন লিখালিখি হবে না। তিনি যে গুলো লিখেছেন সবগুলো মুছে ফেলবেন। এরপর ৯ মার্চ তথ্য প্রমাণ সহ র‌্যাব-৯’র অধিনায়ক বরাবর খলিলের বিরুদ্ধে পাভেল একটি অভিযোগ দাখিল করেন। খলিল ২ এপ্রিল পাভেলের কাছ থেকে টাকা না পেয়ে তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক আইডি নিউজ ক্লাব থেকে আবারও পাভেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মানহানি কর মনগড়া লিখালিখি শুরু করে। ৩ এপ্রিল আবারও খলিল পাভেলের বিরুদ্ধে লেখালেখি শুরু করে।

 

উল্লেখ্য এ ঘটনায় চলতি বছরের ৫ মার্চ খলিলের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন পাভেল। পরবর্তীতে সাংবাদিক পাভেল মোল্লা খলিলের বিরোদ্ধে ৯ মার্চ র‌্যাপিড এ্যকশন ব্যাটেলিয়ন র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক বরাবরে তথ্য প্রমান উপস্থাপন পূর্বক দ্রুত আইনানুগ হস্তক্ষেপ কামনা করেন। দুটি প্রতিষ্ঠানই এখন বিষয়টি নিয়ে তদন্তে চলছে। এছাড়াও পাভেল চলতি বছরের ২ এবং ৩ এপ্রিল এসএমপি কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে পৃথক দুটি আবেদন করেছেন-যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

পাঠকদের জন্য সিলনিউজ বিডি পাভেলের কাছে মোল্লা খলিলের চাঁদা চাওয়ার অডিও বক্তব্য তুলে ধরলো।

সর্বাধিক ক্লিক