প্রচ্ছদ

সিলেটে নুরুলের বিরুদ্ধে নারী ব্যবসা, অবৈধ তীর খেলা, ইয়াবার ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

০৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:১৫

sylnewsbd.com

সিলনিউজ ডেস্ক:: সিলেটের আলোচিত ফটো সাংবাদিক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সিলেট পুলিশ কমিশনার বরাবরে গত ৩ এপ্রিল একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন ফুলি বেগম নামে এক জনৈক মহিলা। অভিযোগে তিনি নুরুল ইসলামে ভূয়া বিটিভির ক্যামেরপার্সন দাবি করে চাঁদাবাজি, পতিতা ব্যবসা, অবৈধ তীর খেলা, ইয়াবা ব্যবসার নিয়ন্ত্রক উল্লেখ করেন।
অভিযোগে ফুলি বেগম বলেন- সিলেট জেলা পরিষদে দির্ঘদিন ঝাড়– দিতাম এই সময় জেলা পরিষদেও ৪ র্থ শ্রেণীর কর্মচারী লেংড়া ভাই তার শ্যালক বাট্টি নুরুল কে জেলা পরিষদে অস্থায়ী টি বয় হিসেবে নিয়ে আসে। তখন সাল ছিল ২০০১ সাল । তখন মাঘ মাসের ভোর এ আমি জেলা পরিষদে ঝাড়– দিতে গেলে বাট্টি নুরুল আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে । প্রতিদিন নুরুলের সাথে আমি শারিরিক সম্পর্কে মিলিত হতাম। তরুন নুরুল আমাকে খুব আরাম দিত ও মায়া করত। আমিও তাকে বিশ্বাস করে টাকাও দিতাম। তাকে আমি পান খাওয়ান শিখালাম। ২০০১ সালে এপ্রিল মাসে নুরুল কালা জামাল কে নিয়ে আসল তখন কালা জামাল যে এসেছে আমি জানতাম না। নুরুল আমার সাথে শারিরিক সম্পর্ক শুরু করল এই অবস্থায় জামাল রুমে ডুকে আমাদের হাতে নাথে ধরে ফেলল। নুরুলের কথায় জামালের সাথে আমি শারিরিক সম্পর্কে মিলিত হলাম । জামাল আমাকে ৫শ টাকা দিল। এর পর থেকে আমি নুরুলের কথায় ব্যাশা হয়ে গেলাম । নুরুল ২০১২ সাল পর্যন্ত সিলেটের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে আমাকে পাটিয়ে ব্যবসা করতে লাগলো শুধু আমি না আমার আপন ছোট বোন জেসমিন, রতœা আমরা ৩জন কে দিয়ে ব্যবসা শুরু করল নুরুল। প্রতিদিন আমরা নুরুলকে জন প্রতি ৩ শ টাকা দিতাম ।

চলতি বছরের ০১ এপ্রিল দুপুরে পূর্ব জিন্দাবাজারে সহির প্লাজার সামনে আমার মেয়ে পপি (১৫) কে নিয়ে যাই তখন নুরুলের সাথে আমার দেখা হয়। নুরুল বলে এই মেয়ে কে আমি বলি আমার মেয়ে সে বলে তোমার মত সুন্দন হয়েছে। কোথায় যাবে আমি বলি আমার ভাই এখন আসবে মেয়েকে নিয়ে যাবে গোলাপঞ্জ সে আমাদের পালকি রেষ্টুরেন্ঠে নিয়ে নাস্তা করায় । আমার ছোট ভাই আসলে মেয়েকে নিয়ে চলে যায়। তার পর নুরুল আমাকে বলে অনেক দিন পর তোমার সাথে দেখা কি কর আমি বলি ঝালপাড়া মতিনের কলোনিতে থাকি মেয়ে আর আমি সেলাইর কাজ করি । সে বলে বিয়ে করনি আমি বলি করেছি স্বামী মেয়ে ফেলে রংপুর চলে গেছে। সে বলে আবার চলে আস আগের দেহ ব্যবসায় মেয়েকে ও লাগিয়ে দাও ব্যবসায় অনেক টাকা কলোনিতে থাকা লাগবে না। ভাল বাসায় তোলে দিব। ভাড়া আমি দিব। আমি না করি নুরুল বলে দেখ আমি জেলা পরিষদের টি-বয় ছিলাম আর এখন আমি প্রতিমাসে লাখ টাকা ইনকাম করি পত্রিকা থেকে কোন টাকা পাই না। বিটিভির ক্যামেরাপারসন হিসেবে নিয়োগ না পেয়েও বিটিভির পরিচয় দিয়ে সিলেট জেলা ও মহানগরে বাণিজ্য করছি । আমি বলি এটা কিভাবে সম্ভব । নুরুল আমাকে বলে আমার সাথে আস আমি তার সাথে যাই সে সহির প্লাজায় নিচতলায় অনন্যা নেটে গিয়ে একটি কম্পিউটারে বসে এরপর কিছু সময় কাজ করে বলে দেখ এটা হল বিটিভির ঢাকা অফিসের কন্টোল পেনেল সারা দেশের প্রতিনিধিদের পাটানো ফুটেজ ও নিউজ। আমি বলি তুমি বললে তুমি বিটিভির ভুয়া ক্যামেরাপারসন তাহলে এটার পাসওয়াড তোমার কাছে আসল কিভাবে। নুরুল বলল বিটিভির সিলেট সংবাদদাতা একজন প্রবিন সাংবাদিক তিনি আমাকে বিশ্বাস করেন অন্ধের মত। তিনি কোন কাজ করেন না আমি প্রতিদিন নিউজ ও ফুটেজ বিটিভিতে পাটাই ঢাকায় জানে সেলিম ভাই পাটান ।
নুরুল আর বলে আমি একটি স্থানীয় পত্রিকা ও টিভির পরিচয় দিয়ে সিলেট নগরীর সব হোটেল দেহ ব্যবসা ,অবৈধ তীর খেলার সব বোর্ড মাদক ব্যবসায়ীদেও মাদক হাট নিয়ন্তন করি ও ২ টি হোটেল এবং একটি বাসায় পতিতা রেখে ব্যবসা করি সিলেটের সন্ত্রাসীরা ও আমাকে মাসোহারা দেয়। আমি পুলিশ, আদালত এ তাদের সহযোগিতা করে থাকি। আমার বস শিহাব ভাই ও আপ্তাব ভাই। তাদের কমিশন দেই ও ১৫ থেকে ১৭ বছরের মেয়ে দিয়ে খুশি রাখি। এ ছাড়া আমি সিলেটে অপরাধীদের একজন পরামর্শ দাতা আমার সাথে পায় ১৩ জনের একটি প্রভাশালী গ্র“প আছে ।
সিলেটে আমাকে কেউ কিছু করতে পারবে না। আমি কাকে কি দিয়ে ম্যানেজ করতে হয় তা জানি।
আমি নুরুল এখন আর টি-বয় নুরুল নই । আমার নাম শুনলে সিলেটের সব মহল কাপে ।
এখন আস কাজের কথায় তোমার মেয়েকে এক রাতের জন্য দাও আমার বস শিহাব ভাই ও আপ্তাব ভাই আনন্দ করবেন বিশ হাজার টাকা পাবে । আমি বলি কাল দেখা করব । নুরুল আমাকে ১হাজার টাকা ও উনার একটি ছবি দিয়ে বলেন তুমি আমার প্রথম প্রেম প্রথম ভালবাসা দেখ টি-বয় নুরুল এখন কে ।তোমার বুকে আমার ছবি নিয়ে ঘুমিয় শান্তি পাবে অতীতের কথা মনে পরবে। আমি চলে আসি। আমি দেশের স্বার্থে এই আবেদন করেছি। বেটি চোরা,চাদাবাজ,নারী ব্যবসায়ী,ইয়াবা ও অবৈধ তীর খেলার নিয়ন্ত্রক লুচ্ছা নুরুল ওরফে বাট্টি নুরুলের বিরেুদ্ধে তদন্ত্র পূর্বক আইন আনোগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন মহোদয়ের নিকট আবেদন করেছেন তিনি।

এ ব্যাপারে নুরুল ইসলামের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

সর্বাধিক ক্লিক