প্রচ্ছদ

সিলেটে ‘শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পে’র কর্মশালা

১৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:২৬

329

সিলনিউজ ডেস্ক :: জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ সিলেটে “সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের” আওতায় সিলেট অঞ্চলে আউশ ও ভুট্টা আবাদ সম্প্রসারনের সম্ভাবনা, সমস্যা এবং সমস্যা উত্তরণে করনীয় শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সনৎ কুমার সাহা, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ), কৃষি মন্ত্রনালয়। প্রকল্প পরিচালক মোঃ ওহিদুজ্জামান স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলে শস্যের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। তিনি বিগত তিন বছরে প্রকল্পের বাস্তবায়িত কার্যক্রমের প্রভাব এবং ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের কর্ম পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এ অঞ্চলে শস্যের গড় নিবিড়তা ৫% বাড়াসহ ভুট্টা ও আউশ আবাদ ব্যাপক সম্প্রসারিত হয়েছে বলে জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কৃষকরা জানান প্রকল্পের কার্যক্রম নেয়ার ফলে ফসল আবাদই শুধু বাড়েনি, ফলন ও বেড়েছে। ছাতক উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ বদরুল হক, বলেন এ প্রকল্পের মাধ্যমে তার উপজেলায় মাল্টা, লিচু ও আউশের আবাদ বেড়েছে।

উম্মুক্ত আলোচনায় ও কারিগরী সেশনে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে প্রকল্পের আওতায় ভবিষ্যতে করণীয় বিষয়ক তথ্যাদি উপস্থাপন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ড. মোঃ আব্দুল মুন্নাফ, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা, কাজী লুৎফুল বারী, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার, মোঃ জালাল উদ্দিন প্রধান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) হবিগঞ্জ এবং বিমল চন্দ্র সোম অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সিলেট। কর্মশালায় উপস্থাপিত হয় সিলেট অঞ্চলে জমি পতিত থাকার পিছনের নানা কারণসমূহ। স্থানীয় কৃষি বিভাগ এই কারণ ও সমস্যাদি নির্ণয় ও সনাক্ত করেছে।

উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো সেচের পানির অভাব, পাথর ও গ্যাসের কারণে সেচ যন্ত্র স্থাপনে সমস্যা, বড় কৃষকদের চাষাবাদে অনীহা, জমির মালিক বিদেশে থাকা, জমি বর্গা দিতে অনীহা ও শ্রমিক সংকট। উপস্থাপক মহোদয়গণ এ সব সমস্যাদি সমাধানের বিভিন্ন সুপারিশ উপস্থাপিত করেছেন। বিশেষ করে সেচের সুবিধা, ফসল কর্তন মেশিন সরবরাহ এবং হাওড়ে বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র স্থাপন নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেন।

কর্মশালায় ভুট্টা বাজারজাতকরনের সমস্যা সমুহ ও উত্তোরনণ করনীয় নির্ধারিত হয়। পরবর্তীতে পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনার বিভিন্ন যুক্তি, তথ্য ও মতামত উপস্থাপনের জন্য মুক্ত আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অত্যন্ত ফলপ্রসূ মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন উপপরিচালকগণ, জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার, উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি অফিসার, এসএএওপ্রমুখ।

সর্বাধিক ক্লিক