আজমিরীগঞ্জে নিষিদ্ধ জালে বিলুপ্তির পথে হাওড়ের ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী

প্রকাশিত: ৫:৫৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

আজমিরীগঞ্জে নিষিদ্ধ জালে বিলুপ্তির পথে হাওড়ের ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট ও ভীম জাল। আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে প্রকাশ্যে কারেন্ট ও ভীম জাল বিক্রি হলেও মৎস্য অধিদপ্তর রয়েছে নিশ্চুপ। কতৃর্পক্ষ এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

সরেজমিনে ঘুরে উপজেলার আজমিরীগঞ্জ সদর, পাহাড়পুর, কাকাইলছেও সহ বিভিন্ন হাটে দেখা যায়, নিষিদ্ধ কারেন্ট ও ভীম জাল সহ নিষিদ্ধ বিভিন্ন জালের বিক্রির মহোৎসব চলছে। সরকার ৪ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যস বা দৈঘ্যর্র ফাঁস জালের (কারেন্ট জাল) এবং চট (ভীম) জাল নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও তা কোনো কাজেই আসছে না। নিয়ম অনুযায়ী এ আইন অমান্যকারীকে ১০০০ টাকা জরিমানা বা ৬ মাসের জেল অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার ঘোষণা রয়েছে।

কিন্তু এ সব আইনকে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে একশ্রেণির অসাধু জাল ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন বাজারে বিভিন্ন কৌশলে বিক্রী করছেন এই নিষিদ্ধ জাল! নিষিদ্ধ এই জাল সহজলভ্য হওয়া মৎস্য শিকারীরা অবাধে কারেন্ট ও ভীম জাল ব্যবহার করে শিকার করছে হাওড়ের দেশী প্রজাতির ছোট মাছ, পোনা,কুচিয়া সহ প্রাকৃতিক জলজ প্রাণী । এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে এক সময়ের প্রাকৃতিক মৎস্য ভান্ডার খ্যাত আজমিরীগঞ্জের বৃহত্তম হাওড় অঞ্চলের অনেক প্রজাতির মিঠা পানির মাছ ৷ এমনটি মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ৷

উপজেলার ছোটবড় সব কটি হাওরেরই বর্তমানে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শেষ। তাই শ্রমজীবী অনেকেই সকাল বেলা এসব নিষিদ্ধ জাল নিয়ে বিভিন্ন হাওরে মাছের পোনা ধরতে বের হয়। তাছাড়া এ সময়টাতে জেলেরাও হাওরে বিভিন্ন ধরণের নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ ধরে। এসব জালে কাচকি, শোল, টাকি, কই, গজার, ঘনিয়া মাছের পোনা ধরা পড়ে। তবে পোনার মায়ার কারণে এ সময় দম্পতি মাছও ধরা পড়ে।

এ ব্যপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাশেদ্ উজ জামান জানান, আমি বিভিন্ন বাজারে এবং হাওড়ে অভিযান পরিচালনা করছি ,ম্যাজিষ্ট্যাট না থাকার কারনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে পারছিনা তবে আমরা ম্যাজিষ্ট্যাটের জন্য রিকুজিশন করেছি আশা করছি ২/৩ দিনের ভিতরে অভিযানে নামতে পারবো ৷

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ