আজারবাইজানের যেসব অস্ত্র বদলে দিয়েছে যুদ্ধের গতি

প্রকাশিত: ৭:৪৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২০

আজারবাইজানের যেসব অস্ত্র বদলে দিয়েছে যুদ্ধের গতি

অনলাইন ডেস্ক
গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষবিহীন ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে।

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়াতেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। তবে এই লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে অত্যাধুনিক সব ড্রোন।

ফলে গত দু’সপ্তাহ ধরে চলমান এ যুদ্ধ সামরিক বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়েছে। বিশেষ করে ইসরাইল ও তুরস্কের তৈরি ড্রোন দিয়ে চালানো হামলা।

আলজাজিরা জানিয়েছে, মানুষবিহীন সশস্ত্র ড্রোন থেকে শুরু করে যুদ্ধের ময়দানে নজরদারির জন্য সেন্সর আর আঘাত হানতে দীর্ঘপাল্লার নানা সমরাস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে লেটেস্ট মডেলের ড্রোন।

আর এসব সামরিক প্রযুক্তিই যুদ্ধক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে আজারবাইজানকে। ইসরাইল আর তুরস্কের তৈরি ড্রোন দিয়ে মুহুর্মুহু হামলায় আর্মেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দিয়েছে আজারি সেনারা।

লড়াইয়ের তীব্রতা বুঝিয়ে দিয়েছে নাগারনো-কারাবাখে আর্মেনীয় লক্ষ্যবস্তুর ওপর আজেরি ড্রোন হামলার ভিডিও ফুটেজ।

পর্যবেক্ষণ ড্রোন থেকে তোলা টার্গেট এলাকার বেশি কিছু ভিডিও প্রকাশ করেছে আজেরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

তাতে দেখা যাচ্ছে, লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান চিহ্ণিত করে মুহুর্তেই তা ধ্বংস করা হচ্ছে। সশস্ত্র ড্রোনের মাধ্যমে আর্মেনিয়ার শত শত ট্যাংক ধ্বংসের এসব ভিডিওতে পশ্চিমা গণ ও সামাজিক মাধ্যম সয়লাব।

সম্প্রতি দুটি দেশই তাদের অস্ত্রের সম্ভার বাড়িয়েছে। এর মধ্যে আজারবাইজান অস্ত্র সংগ্রহ করেছে আর্মেনিয়ার চেয়ে বেশি এবং আজারিরা ড্রোন প্রযুক্তির দিকে বেশি ঝুঁকেছে।

যুদ্ধক্ষেত্রে শুধু ড্রোনের ব্যবহারই হচ্ছে না। নাগারনো-কারাবাখের ময়দানে বসানো হয়েছে হাজার হাজার নজরদারি সেন্সর, যাকে বলা হচ্ছে ‘যুদ্ধক্ষেত্রের চোখ’।

বহু দুর থেকে পরিস্থিতির ওপর সহজেই নজর রাখতে ব্যবহার হচ্ছে উন্নত এই প্রযুক্তি। একই কাজে বেশ কার্যকর সশস্ত্র বা নিরস্ত্র ড্রোনও। শত্রু বাহিনীর চলাচল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবরাখবর রাখছে নিখুতভাবে।

এসব ড্রোন এত উন্নতমানের যে দিন- রাতে সশস্ত্র গাড়ি কিংবা লুকানো ট্যাংকের ছবিও ধারণ করতে পারে। অর্থাৎ এগুলোর কারণে যুদ্ধক্ষেত্রে যেকোনো অস্ত্রই লুকানো অসম্ভব।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ