আতসবাজি না ফুটিয়ে ক্ষণগণনা উৎসব অন্য ভাবে পালন করলে কি খুব খারাপ হতো?

প্রকাশিত: ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১২, ২০২০

আতসবাজি না ফুটিয়ে ক্ষণগণনা উৎসব অন্য ভাবে পালন করলে কি খুব খারাপ হতো?

রাশিদা আহমেদ নান্সি: আতসবাজি ফুটিয়ে ক্ষণগণনা উৎসব পালন না করে,অন্য ভাবে করলে কি খুব খারাপ হতো?তাহলে অন্তত অসুস্থ বয়োজ্যেষ্ঠ ও শিশুরা শব্দ দূষণ থেকে রক্ষা পেতো।শুধুমাত্র বিরোধীরাতার খাতিরে বিরোধিতা নয়,নিছক আনন্দের জন্য মানুষের কষ্ট আদৌ কাম্য কিনা একটু সহানুভূতিশীল মনোভাব নিয়ে ভেবে দেখুন।আমরা যারা বিজাতীয় সংস্কৃতির বিরোধীতা করে তথাকথিত বাঙালি হিসাবে নিজেদের দাবি করি,এসব দেখে তো মনে হলো না,একদিন বাঙালি ছিলাম রে!বরং অবস্থাদৃষ্টে মনে হলো, ঢাকা- ৮৬ চলচ্চিত্রের সেই বিখ্যাত গানের কথাগুলো,”আউল বাউল,লালনের দেশে মাইকেল জ্যাকসন আইলোরে,সবার মাথা খাইলো রে……..আমার সাধের দোতারা কান্দে রে”😡😡এই আতসবাজির কারণেই কিন্তু নিউ ইয়ার উৎসব পালন করতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মতো এত উন্নত একটি দেশকে কেমন মাশুল দিতে হয়েছে তা কি আমরা ভুলে গেছি?অস্ট্রেলিয়ার চিড়িয়াখানায় এতো জীবজন্তুর প্রাণহানি,দাবানল… ..এসবতো সর্বজনবিদিত।কথায় আছে,মানুষ দেখে শিখে,ঠকে শিখে …..।কিন্তু আমাদের শিক্ষা হয়নি!তাহলে আমরা শিখবো কখন?প্রকৃতি যখন শিক্ষা দিবে তখনই কি শিখবো?মৃত্যুর মিছিলে আরো কিছু প্রাণের বলিদান হবে,তখনই কি আমাদের শিক্ষা হবে?প্রকৃতি তার সৃষ্টির স্বেচ্ছাচারিতায় রুষ্ট হবে যখন তখনই কেবল আমাদের বোধোদয় ঘটবে,তার আগে নয়।আল্লাহ্ আমাদের সকলকে প্রকৃতির রুষ্টতা থেকে হেফাজত করুন।আর আমাদের সবার মধ্যে শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।কাউকে হেয় করা উদ্দেশ্য নয়,উদ্দেশ্যে হলো কোন কিছুর সীমা লঙ্ঘন করার আগে অন্তত একশো বার চিন্তা করা।যাতে সকল সীমার একটা সীমাবদ্ধতা বজায় থাকে।আনন্দ উৎসব পালন তো বিকল্প পন্থায় ও হতে পারে।সামান্য আনন্দ যেন বিশাল ক্ষতির কারণ না হয়,অন্যথায় এই ক্ষতির দায় ভার সবার উপরেই বর্তাবে।সময় থাকতে ভেবে দেখা উচিত বৈকি……🤔সবার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি।

লেখকঃসাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান,

ছাতক উপজেলা পরিষদ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ