আসুন আমরা সবাই পরোপকারী শুভ্র’র বাবা পাশে দাড়াই…….

প্রকাশিত: ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০২১

আসুন আমরা সবাই পরোপকারী শুভ্র’র বাবা পাশে দাড়াই…….

সাখাওয়াত ফাহাদ

ছাত্র ইউনিয়নে একটা সংকট চলছে, সেটা নিয়ে আগ্রহ নেই এমন লোক পাওয়া এই মুহুর্তে মুশকিল। কিন্তু তার চেয়ে আরো বড় সংকটে আছেন আমাদের সহযোদ্ধা শ্যামাজিত পাল শুভ্র।

শুভ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের ছাত্র। ছাত্র ইউনিয়ন, জগন্নাথ হল শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক। আপনাদের নিশ্চয়ই করোনার শুরুর দিকে ছাত্র ইউনিয়নের হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রজেক্টের কথা মনে আছে। আমরা প্রায় ৪ মাস নিম্ন আয়ের নানা পেশার মানুষের মাঝে বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছিলাম। আমাদের বানানো প্রায় দেড় লক্ষ বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার আমরা সারাদেশের মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছিলাম।

সে সময় মিডিয়ার সামনে পেছনে অনেকেরই চেহারা দেখা গেলেও এমন অভিভূত সাফল্যের পেছনের ব্যক্তিটি ছিলেন মূলত শ্যামাজিত পাল শুভ্র। চারিদিকে যখন করোনা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল, সব বন্ধ করে দেয়া হচ্ছিলো তখন কিছু একটা করার তাড়না থেকেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানোর আইডিয়ার সাথে যুক্ত হোন শুভ্র। প্রয়োজনীয় সব উপকরণ যোগাড় করে একটি টিম বানিয়ে নেমে পড়েন স্যানিটাইজার বানানোর কাজে।

সেই উদ্যোগী, সদা হাস্যোজ্জল, বিনয়ী, পরোপকারী শুভ্র’র বাবা দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত। মিরপুরের ডেল্টা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত কয়েকমাস ধরেই চলছে কেমোথেরাপি। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে শুভ্র’র বাবার শারীরিক অবস্থার মতোই দুর্বল হচ্ছে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাও। লকডাউনে অনলাইনে চা-পাতা বিক্রির একটা উদ্যোগ নিয়েছিলো শুভ্র। কিন্তু সামগ্রিক সংকটে হতাশা ঘিরে ধরেছে শুভ্রকে।

আমরা শুভ্র’র বাবাকে সুস্থ দেখতে চাই। দেশের, জাতির সংকটে যে উদ্যোগী হয়ে উঠেছিল তার জন্যে সামান্য উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমরা অর্থ সংগ্রহ করছি। আমরা চাই শুভ্র তার বাবাকে নিয়ে রাস্তায় হেঁটে হেঁটে আবারো জমিয়ে গল্প করুক। আর শুভ্র’র কথা শুনে আংকেল প্রাণখুলে হাসুক।

শুভ্র’র বাবার জন্য যার যতটুকু সামর্থ্য আছে এগিয়ে আসুন। আপনার নূন্যতম সহযোগীতাও আমাদের সামান্য উদ্যোগকে অসামান্য করে তুলতে পারে। সবাইকে ধন্যবাদ।

সহযোগীতা পাঠানোর জন্য
বিকাশ ও নগদ- 01676418448 (সাখাওয়াত ফাহাদ)

আমাদের ফেইসবুক পেইজ