ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে তুরস্কের আরেকটি বড় জয়

প্রকাশিত: ৯:০৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২০

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে তুরস্কের আরেকটি বড় জয়

অনলাইন ডেস্ক

উত্তর সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তুর্কি সমর্থিত প্রার্থী এরছিন তাতার ৫১ দশমিক ৭৪ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী মুস্তাফা আকিনজি ৪৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ। নির্বাচনে বিজয়ী এরছিন তাতার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের নীতির একজন সমর্থক।

১৯৭৪ সালে সাইপ্রাসে গ্রিস অভিযান চালালে তুরস্কের প্রতিরোধের মুখে দুইভাগে ভাগ হয়ে যায় ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে। তুরস্ক সমর্থিত উত্তর সাইপ্রাস স্বল্প স্বীকৃত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।

এরছিন তাতার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং তুরস্ক সরকারের সমর্থিত প্রার্থী। অন্যদিকে মুস্তাফা আকিনজি বর্তমান প্রেসিডেন্ট এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সমর্থন ছিল তার প্রতি।

ফল ঘোষণার পর তাতারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

টুইটারে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আমি এরসিন তাতারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। তুরস্ক তাকে ও তার দেশের মানুষদের সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে।’

এ বিষয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সির চিফ রিপোর্টার সরওয়ার আলম যুগান্তরকে বলেন, গত পাঁচ বছরে এরছিন তাতার – প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময় – আঙ্কারার সঙ্গে একই সুরে কথা বলেন এবং এবারের নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও তুর্কি সরকারের সঙ্গে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেন।

কিন্তু মুস্তাফা আকিনজি গত পাঁচ বছরে সাইপ্রাস ইস্যুতে তুরস্কের বিরুদ্ধে গিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে হাত মিলাতে এবং বিভক্ত সাইপ্রাস সমস্যা সমাধান পশ্চিমাদের দেওয়া প্রস্তাবগুলো মেনে নিতে সম্মতি জানান।

‘এ কারণে এরছিন তাতারের বিজয় তুর্কি সাইপ্রাস এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্কের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তুরস্কের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে। ’-অভিমত ব্যক্ত করেন তুর্কি এ সাংবাদিক।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের এ ফলাফল মূলত গ্রীস, গ্রীক সাইপ্রাস এবং ফ্রান্সের বিরুদ্ধে এরদোগানের আরেকটি বিজয়।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ