ইসিতে আতিকের অভিযোগ : হাবিবের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সর্বত্র আলোচনা

প্রকাশিত: ৮:৫৩ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২১

ইসিতে আতিকের অভিযোগ : হাবিবের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সর্বত্র আলোচনা

জুনেদ আহমদ ::  সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের প্রার্থীতা চ্যালেঞ্জ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরবারে আপিল করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক। আর এতে ভোটের মাঠে সর্বত্র আলোচনায় হাবিব ও আতিক।

রবিবার (২০ জুন) দুপুরের পরে আতিকের আইনজীবী প্যানেলের কয়েকজন সদস্য ঢাকাস্থ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আপিলের কাগজ দাখিল করেন।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬ নম্বর অনুচ্ছেদের ২ ধারায় উল্লেখ আছে- কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন।

হাবিবের দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে তার সাংসদ প্রার্থী হওয়া বৈধ নয়- এ বিষয়টি তুলে ধরে আপিল করেন জাপা নেতা আতিক।

বিষয়টি রবিবার বিকেলে আতিকুর রহমান আতিক নিজে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি মুঠোফোনে জানান, আমি নিজে যাইনি। রবিবার দুপুরের পরে আমার আইনজীবী প্যানেলের কয়েকজন সদস্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আপিলের কাগজপত্র দাখিল করেছেন।

আতিকের আইনজীবী প্যানেলের এক সদস্য বলেন, ‘হাবিবের প্রার্থীতা কোনোভাবেই বৈধ হতে পারে না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী- যদি কারো দ্বৈত নাগরিত্ব থাকে এবং এ দেশে তিনি সাংসদ প্রার্থী হতে চান তবে ৬ মাস আগে সে দেশের বাংলাদেশি দূতাবাসে সেই নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করে সারেন্ডার করতে হবে। তখন দূতাবাস থেকে একটি কাগজ দেয়া হবে। সেই ডকুমেন্ট প্রার্থী নির্বচনী হলফনামার সঙ্গে সংযুক্ত করে দিবেন।

কিন্তু হাবিবুর রহমান হাবিব সারেন্ডারের বিষয় তো দূরে- তাঁর দ্বৈত নাগরিত্বের বিষয়টিই হলফনামার কোথাও উল্লেখ করেননি।

তবে হাবিবের দাবি, তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিত্ব অর্জন করলেও আইন মেনে ৬ মাস আগেই তা ত্যাগ করেছেন।

আতিকের আইনজীবী প্যানেলের ওই সদস্য প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মারা গেছেন মাত্র ৩ মাস আগে। কিন্তু সারেন্ডার করতে হয় ৬ মাস আগে। হাবিব কি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুর আগেই সারেন্ডার করেছিলেন? তিনি কী করে জানতেন এই এমপি মারা যাবেন? এটা কীভাবে সম্ভব? আর যদি করেই থাকেন তবে তো তার যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। তিনি কি সে দেশের সব আসয়-বিষয় গুটিয়ে নিয়েছেন? সে খবরতো আমরা কেউ জানি না।’

সেই চ্যালেঞ্জিং আপিলের শুনানির সম্ভাব্য তারিখ ২২ জুন বলে জানান ওই আইনজীবী।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ