একটি শিশু আরিফের গল্প

প্রকাশিত: ৬:৫১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১

একটি শিশু আরিফের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিশুটির নাম আরিফুল ইসলাম।বয়স প্রায় ১০মাস। জন্ম সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী বাশতলা গ্রামে। জন্মের দুই মাস পরেই শিশুটির বাম চোখে অজ্ঞাত কারনে সমস্যা দেখা দেয়।ডাক্তারের পরামর্শমতে বাম চোখের চিকিৎসা শুরু হয়।কিন্তু চোখের অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় প্রয়োজন হয় উন্নত চিকিৎসার।তা না হলে আরিফ চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলবে এমনকি পরবর্তিতে একসময় ডান চোখেরও দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা দেখা দিবে।উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন এক লক্ষ টাকা। অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের পক্ষে উক্ত চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করার সম্ভব নয়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ে।তাই বলে কি আরিফ সারাজীবনের জন্য অন্ধত্ব বরণ করবে?না – মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য-এই অমর উক্তিটি কাউকে নিরাশ করেনা।সারা মেলে প্রবাসে অবস্থানরত ছাতক দোয়ারাবাসীর পক্ষ থেকে। শিশু আরিফের দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে এবং আরিফ যাতে বাবা মা প্রিয়জনসহ অপার সৌন্দর্যময় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলম্বন করতে পারে সেলক্ষ্যে প্রবাসীরা আর্থিক অনুদান নিয়ে এগিয়ে আসে।
আজ ২৪.০২.২১ইং সিলেটের একটি রেস্টুরেন্টে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রবাসী ও সুধি বৃন্দের উপস্থিতিতে আরিফের বাবা মার কাছে নগদ এক লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়।মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি শিশু আরিফ যাতে অন্ধত্বের হাত থেকে রক্ষা পায়,দেখতে পায় এ সুন্দর পৃথিবীকে।
বিদেশাবস্থানরত প্রবাসীরা শুধুমাত্র বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের মাধ্যমেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছেনা, দেশের আর্থ সামাজিক ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ও মানবিক কার্যক্রমেও এগিয়ে আসছেন যা নিঃসন্দেহে প্রসংশার দাবীদার।
আজকের অনুষ্ঠানের আয়োজকদের ধন্যবাদ। বিশেষ করে সানাউর রহমান কয়েসসহ অন্যান্যদের অবদান অনস্বীকার্য। এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার আপনাদের আরো বেশি সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করি।আজকের অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা,শিশু আরিফকে এক লক্ষ টাকা প্রদানের স্থিরচিত্রসমূহ দেখা যাচ্ছে:

আমাদের ফেইসবুক পেইজ