এভাবে আর কত দিন?

প্রকাশিত: ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৮, ২০১৯

এভাবে আর কত দিন?

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম :: গত ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অসুস্থ মানুষ, হাসপাতাল থেকে এসে বাজেটের একটা অংশ উপস্থাপন করেছেন। বাকি কিছু অংশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পাঠ করেছেন। দেশে এখন কোনো নীতি-নৈতিকতা নেই। তাই এসব নিয়ে তেমন কথা হয় না। কেউ আইনের বাছবিচার করে না। অর্থ বিল একটা গুরুত্বপূর্ণ আইন। এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাঁড়ি-কমাসহ সংসদে পড়তে হয়। এটাই সংসদীয় রেওয়াজ। সব সময় সব সরকারের কাছেই বাজেট যুগোপযোগী, সবচাইতে দৃষ্টিকাড়া। তারা বলেন এবং মনে করেন ওর চাইতে ভালো বাজেট আর হতেই পারে না, এমনটা সব সরকারই বলে। বিরোধী দলেরও এক কথা, মানুষ মারা বাজেট, একদম ফালতু বাজেট। আদতে কি তাই? সত্যিই কিন্তু তা নয়। যে দেশ ৫০০ কোটি টাকা বাজেট দিয়ে শুরু করেছিল, সে দেশের বাজেট এখন ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। একে কী বলব? খুব ভালো বাজেট বলতে পারলে যারপরনাই খুশি হতাম। কিন্তু তা কি বলা যায়? সোয়া ৫ লাখের বাজেটের দেড় লাখই ঘাটতি। তাহলে এ ঘাটতি বাজেট না করে ৩ সাড়ে ৩ লাখ কোটির বাজেট করলে কি দোষ হতো? বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে বাজেটের খুব একটা প্রভাব পড়ে না। গ্রামের নিরীহ মানুষ বাজেট নিয়ে অত চিন্তা করে না। তাদের চিন্তা বাড়ির পাশে রাস্তাটার কোনো উন্নতি হলো কিনা, স্কুলঘরটার চাল দিয়ে যে পানি পড়ে তা মেরামতের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা। থাকলে খুশি, না থাকলে তাদের বাজেট নিয়ে কোনো আগ্রহ নেই। এবার বাজেটে মানুষের তেমন সাড়া নেই। কারণ তারা ধানের দাম পায়নি। উৎপাদন খরচ বেশি, তার ওপর বিদ্যুৎ-সারের দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে, জমি উর্বরতা হারাচ্ছে, ধান চাষ করে প্রায় সব কৃষক কাঙাল হতে চলেছে। এ রকম অবস্থায় বাজেট তাদের খুব একটা নাড়া দিতে পারেনি। বিরোধী দল বাজেটকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে। শুধু বিরোধী দল নয়, বিবেকবান বুদ্ধিমান সরকারি দলের লোকজনও অনেকে বাজেটকে খুব একটা মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেননি। কারণ বাজেটটা সত্যি সত্যিই তথাকথিত ধনবানদের জন্য, মধ্যবিত্ত মারার বাজেট। এতে মধ্যবিত্তের চোখে অন্ধকার দেখা ছাড়া আর কিছু করার নেই। প্রতি বছর যেমন বাজেট হয়, এ বছরও হয়েছে। আলোচনার বিষয়, এ বাজেট উত্থাপনে অংশ নিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং। এ ক্ষেত্রে অনেক প্রচারমাধ্যম এ রকম একটি ব্যতিক্রম তুলে ধরার চেষ্টা করেছে যে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। সে সময় সংসদে বাজেট পেশ করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের গৌরব বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ। চ্যানেলগুলো অনেক সময় ইতিহাস তৈরির চেষ্টা করে। বাস্তবে বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ যথাযথ অর্থমন্ত্রী ছিলেন এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র রাজনৈতিক নেতা, যিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট পেশ করেছিলেন। আর কোনো রাজনৈতিক নেতা অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট পেশ করেননি। আ হ ম মুস্তফা কামালও যথার্থ রাজনৈতিক নেতা নন। তার প্রথম পরিচয় সফল ব্যবসায়ী। তারপর এই কয়েক বছর আওয়ামী রাজনীতিতে অংশ নিয়ে প্রথম পরিকল্পনা, এবার অর্থমন্ত্রী। কিন্তু তিনি প্রকৃত রাজনৈতিক নেতা হিসেবে অর্থমন্ত্রী নন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে হয়তো ভালোই করবেন। বছর কয়েক আগে ক্রিকেটের জন্য ইসলামী ব্যাংকের টাকা নেওয়ায় জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবুল বারকাত খুব সমালোচনা করেছিলেন। এমনকি আ হ ম মুস্তফা কামাল রাজাকার-স্বাধীনতাবিরোধীদের অর্থ নিয়ে বড় বেশি গুনাহের কাজ করেছেন এমনটা বলতে চাইছিলেন। আমার আবুল বারকাতের কথা পছন্দ ছিল না। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড জামায়াতে ইসলামীর নয়, সেটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। সেখান থেকে ক্রিকেট খেলায় টাকা নেওয়া যাবে না, তাহলে মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনী পাকিস্তান হানাদারদের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে যুদ্ধ করেছে তাতে তো আমাদের যুদ্ধটাই বরবাদ হয়ে যায়। তাই আমি দুই কথা লিখেছিলাম। আ হ ম মুস্তফা কামাল এ নিয়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন। একদিন তার সঙ্গে ভর্তা-ভাত খাওয়ার আমন্ত্রণও করেছিলেন। কিন্তু সেই ভাত এখনো খাওয়া হয়নি। অর্থমন্ত্রী এখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। দয়াময় প্রভুর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন।

মনে হয় এখনো ঈদের আমেজ কাটেনি। এ সপ্তাহেই ফাঁকা ঢাকা আবার কোলাহলে ভরে উঠবে। ১০ মিনিটের রাস্তা ২ ঘণ্টায় পার হতে হবে- এ এক অভাবনীয় দুর্গতি। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে গিয়ে লিখেছিলাম, বাকি সময়টুকু যদি ভালোয় ভালোয় চলে তাহলে তিনি যথার্থই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কী বিচিত্র! সারা দেশে এবার ঈদে যানজট ছিল না। কিন্তু যমুনা সেতুতে ১২ ঘণ্টায় প্রায় ৫৫ কিলোমিটার যানজট। যমুনা সেতু যদি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর অধীন হয় তাহলে মনুষ্যসৃষ্ট এ দুর্ভোগের বিচার হওয়া উচিত। এটা বুঝতে আর বাকি নেই যে মাননীয় মন্ত্রীকে নাজেহাল ও বদনাম করতেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে যমুনার টোল কালেকশনে বিভ্রাট ঘটানো হয়েছিল। আমরা মনে করেছিলাম এত দিনে দোষী ব্যক্তিদের কিছু না কিছু হবে। আর কিছু না হোক একটা ভালোরকম তদন্ত অবশ্য অবশ্যই হবে। কিন্তু সেসবের লেশমাত্র নেই। ঈদ উপলক্ষে দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩০০ জনের বেশি নিহত হয়েছে। আসলে এসব কি আমাদের স্পর্শ করে না? আমরা কী হলাম? শিমুল বিশ্বাস আর শাজাহান খানকে একটু হুঁশিয়ারি আর চালকদের সামান্য প্রশিক্ষণ দিলেই অন্তত অর্ধেক হত্যা কমে যেত। আমার বিশ্বাস, সড়ক দুর্ঘটনার বারো আনা প্রতিরোধ সম্ভব শুধু প্রশিক্ষণ আর নেতা সামলানোর মাধ্যমে। কিন্তু সেদিকে কারও খেয়াল নেই। কেমন যেন একটা ফ্রিস্টাইল। কারও কোনো শোক-আফসোস নেই। একটি দুর্ঘটনায় কেউ যখন মারা যায় একটা সোনার সংসার মুহূর্তে তছনছ হয়ে যায়। পরিবারে কী যে দুর্ভোগ নেমে আসে! যদি কারও কষ্টবোধ না থাকে, অন্যের জন্য মমতা না থাকে তাহলে বলে কোনো লাভ নেই। যে যাই বলুন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে ভালোবাসি। তার মধ্যে মানুষের জন্য দরদের অভাব আছে এটা ভাবতে কেন যেন মন সায় দেয় না। তাই যত কষ্টই হোক সেতুমন্ত্রী মানুষের জীবন রক্ষায় নিবেদিত ও আরও সক্রিয় হোন।

বর্তমানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট একটি ব্যাপক আলোচিত বিষয়। ঐক্যফ্রন্ট গঠনের সময় দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জেগেছিল। যেমনটা ’৬২ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এনডিএফ গঠনে মানুষকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। একটা অভিনব নির্বাচনী প্রহসনে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটেছে। নির্বাচন-পরবর্তীতে প্রত্যাখ্যান এবং নতুন নির্বাচনের দাবি ছিল দেশবাসীর আকাক্সক্ষার প্রতিফলন। পরবর্তীতে ঐক্যফ্রন্ট তার অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে যা কিছু হয়েছে দলগতভাবে হয়েছে। সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও মোকাব্বির খানের সংসদে যোগদান এ নিয়ে গণফোরাম ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। আবার বিএনপির ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের সংসদে যোগদান, শপথ গ্রহণ, একজনের সংসদে না যাওয়া, যে বিএনপির মহাসচিব সংসদে না যাওয়ায় তার আসন শূন্য হয় কোন নৈতিকবলে সেই বিএনপিরই জেলা কমিটির প্রধান নেতা উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন- বিষয়গুলো মানুষ সহজভাবে নিতে পারছে না। আমরাও ঠিক বুঝতে পারছি না, ডিসেম্বরের পর অদ্যাবধি জনতার পাহারাদার হিসেবে আমাদের যা করার ছিল আমরা আদৌ তা করতে পেরেছি কিনা। একবারেরও জন্যও মনে হয় না। তাই ৯ মে বর্ধিত সভা করে অসংগতিগুলো প্রতিকারের জন্য প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেনসহ সবকটি দলের প্রধান নেতাকে জানিয়েছিলাম। আশা করেছিলাম দু-এক সপ্তাহের মধ্যেই প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন সবাইকে নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে একটা যুক্তিসংগত নিষ্পত্তির চেষ্টা করবেন। কিন্তু তা হয়নি। আমাদের সময়সীমা ছিল ৮ জুন। ৪ জুন ড. কামাল হোসেন তার বেইলি রোডের বাড়িতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগকে আহ্বান করেছিলেন। ঈদের আগের দিন, যাওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না। সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীকসহ অন্য নেতাদের যাওয়ার কথা। কিন্তু আমাকে ছাড়া কিছুতেই চলবে না তাই ঈদ সামনে রেখেও টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা গিয়েছিলাম। ঢাকার দিকে কোনো যানজট ছিল না। কিন্তু উত্তরবঙ্গের দিকে যানজট ছিল অভাবনীয়। সেটাও ছিল মনুষ্যসৃষ্ট যমুনা সেতুর টোল মেশিন নষ্ট হওয়ার কারণে। মানুষের সে কি অবর্ণনীয় কষ্ট হৃদয় না থাকলে ধারণ করা যায় না। সাধারণত যা আলোচনা হয় সেদিনও সে রকমই হয়েছিল। ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা তো ছিলেনই না, গণফোরামের নতুন সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া আর কার্যকরী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। তবু প্রবীণ নেতা ডেকেছিলেন, গিয়েছিলাম। নেতাকে বলেছি, একমাত্র বঙ্গবন্ধু ছাড়া আর কারও ডাকে ঈদের আগের দিন এভাবে ছুটে আসতাম না। আপনার ডাকে এসেছি। দয়া করে দেশের মানুষের কথা একটু চিন্তা করবেন।

আবার ডাক পেয়েছিলাম ১০ জুন। ঈদ উপলক্ষে অনেকদিন পর ছেলেমেয়েরা টাঙ্গাইল এসেছিল। তারা এক দিন আগে ঢাকা গিয়েছিল। বৈঠক ছিল বিকাল ৪টায় উত্তরায় জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাড়িতে। আমরা ২০ মিনিট আগেই পৌঁছেছিলাম। গিয়েই শুনলাম অসুস্থতার কারণে ড. কামাল হোসেন বৈঠকে আসছেন না। জরুরি কাজের জন্য মাহমুদুর রহমান মান্নাও থাকতে পারবেন না। তখনই মনে হচ্ছিল যেহেতু প্রধান নেতা, যিনি সভা আহ্বান করেছেন তিনি যেহেতু থাকছেন না সভা শুরুর আগেই চলে যাই। কিন্তু তা হয়নি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এলেন, এলেন মঈন খান, একটু পরে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের রেজা কিবরিয়া, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, বিকল্পধারার এক অংশের অধ্যাপক নুরুল আমীন বেপারী, অ্যাডভোকেট শাহ আহমেদ বাদল। আমাদের দলের হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক, ইকবাল সিদ্দিকী, শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার আগেই গিয়েছিলেন। সাড়ে ৪টার দিকে দায়সারাভাবে সভা শুরু হলো। শুরুতেই বলেছিলাম জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি বৈঠক সভাপতি ছাড়া অনুষ্ঠিত হয়! সুব্রত চৌধুরী প্রস্তাব করলেন কাদের সিদ্দিকী আজকের সভার সভাপতি হোক। আমি আপত্তি করলাম, এটা কী করে সম্ভব? কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের লিখিত কিছু জিজ্ঞাসা রয়েছে। কমবেশি তার উত্তর দিতে হবে। সেই সভার সভাপতি আমি হই কী করে? জনাব আ স  ম আবদুর রবকে সভার সভাপতি প্রস্তাব করায় সবাই সমর্থন করেন।

১০ জুনের ড. কামাল হোসেন আহূত সভায় তার অনুপস্থিতিতে সভাপতি হলেন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক আ স ম আবদুর রব। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হলো অনেক। সিদ্ধান্ত হলো না কিছুই। প্রধান নেতার অনুপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বার বার বলার চেষ্টা করলেন ড. কামাল হোসেনের অনুপস্থিতিতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রশ্নগুলোর সমাধান সঠিক নয়। তাই তার উপস্থিতিতে অনতিবিলম্বে সভা প্রয়োজন। বহুদিন পর আ স ম আবদুর রব যুগোপযোগী চমৎকার সমাপ্তি ভাষণ দিয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্তহীন চলে এলাম। কত দিন এভাবে থাকা যাবে জানি না। মানুষের মনে যেসব জ্বলন্ত প্রশ্ন তার সমাধান সত্বর প্রয়োজন। না হলে সিদ্ধান্তহীন কোনো রাজনীতি চলে না, কোনো রাজনৈতিক দল চলে না, ফ্রন্ট বা জোটের তো চলার কথাই না।

লেখক : রাজনীতিক।

সৌজন্যে : বাংলাদেশ প্রতিদিন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ