এমপি সামাদ চৌধুরী বিহীন নেতা-কর্মীদের বেদনাদায়ক ঈদ উদযাপন

প্রকাশিত: ৬:৩৫ অপরাহ্ণ, মে ১৪, ২০২১

এমপি সামাদ চৌধুরী বিহীন নেতা-কর্মীদের বেদনাদায়ক ঈদ উদযাপন

জুনেদ আহমদ :: গত ১১ মার্চ দিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার। সবাইকে কাঁদিয়ে তিনি হাসিমুখে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আজ ১৪ মে শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর। এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী ছাড়া কর্মীদের এই ঈদ উদযাপন ছিলো বেদনাদায়ক।

ঈদের অনাবিল আনন্দের আবহের মধ্যে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের নুরপুরের বাড়িতে ছিলো নিস্তব্ধতার চাপ। যেখানে প্রত্যেক ঈদে নেতা-কর্মীদের সাথে আনন্দঘন মুহুর্তে হাসিমুখে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতেন সেখানে আজ তাদের বুকচাপা কষ্টের পাথর নিয়ে ঈদ পালন করতে হচ্ছে।

ফেঞ্চুগঞ্জে নুরপুরে প্রয়াত এমপি সামাদ চৌধুরীর বাড়ি

এই ঈদের দিনে প্রত্যেক নেতা-কর্মীরা প্রয়াত এমপি, নেতা, অভিভাবকের জন্য প্রাণ খুলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করেছেন। যাতে “আল্লাহ যেনো মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী’কে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন” আমিন।

দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে সামাদ পত্নীর ঈদ উদযাপন

সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনের দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন সামাদ পত্নী ও সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ফারজানা সামাদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১৪ মে) সকাল থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার নুরপুরস্থ নিজ বাড়িতে তিনি আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বামী হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে আমি সিলেট-৩ আসনের জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। আমার স্বামী জীবন দশায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। আমিও তাঁর দেখানো পথে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ সহ সিলেটের সর্বসাধারণের হৃদয়ের স্পন্দন ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সাবেক এমপি মরহুম মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। শুধু হৃদয়ের স্পন্দন নয় তিনি মানুষের প্রয়োজনে পাশে থেকেছেন, দুর্যোগে সাহস, সংকটে ভরসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেজন্য দীর্ঘ ৮ বছরের প্রবাস জীবনের নানা প্রেক্ষাপট ছাপিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন জনতার নেতা। হ্যাটট্রিক জয় কিংবা দীর্ঘদিন এমপি পদে থাকলেও কখনও অহংকার থাকে ছুতে পারেনি। বরং দিন যত গড়িয়েছে ততই বিনয়ী হয়েছেন এ সাংসদ। দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকা এলাকাটিতে উন্নয়নের জোয়ার তুলেছিলেন। বদলে দিয়েছেন মানুষের জীবনমান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে তিনি আজীবন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে লড়াই করে গেছেন। তিনি ছিলেন দলের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের অন্যতম।

 

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ