কমলগঞ্জের ব্যবসায়ীর ২২০ বস্তা ধান নিয়ে ট্রাকসহ চালক উধাও

প্রকাশিত: ৮:১৬ অপরাহ্ণ, মে ৭, ২০২১

কমলগঞ্জের ব্যবসায়ীর ২২০ বস্তা ধান নিয়ে ট্রাকসহ চালক উধাও

স্বপন দেব, নিজস্ব প্রতিবেদক :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের এক ধান ব্যবসায়ীর ২২০ বস্তা ধান নিয়ে গত দশ দিন ধরে ট্রাকসহ নিখোঁজ রয়েছেন এক চালক। সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বাজার থেকে কুমিল্লার ভাটেরা কংশনগর জাপান বাংলা অটোরাইসমিলে ওই ধান পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না, চালকের মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে।
ধান ব্যবসায়ী কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউপি সদস্য মো. আমির আলী। তিনি আদমপুর ইউনিয়নের নইনার পার বাজারের আমির আলী অটোরাইসমিলের স্বত্বাধিকারী। গাড়ি নিখোঁজ হওয়ার পর কয়েক দফা দিরাই থানা ও সুনামগঞ্জ সদর থানায় ধর্ণা দেন সাধারণ ডায়েরী করার জন্য। কিন্তু কোন থানায় তার সাধারণ ডায়েরী গ্রহণ করেনি। অবশেষে ৮ দিনের মাথায় সুনামগঞ্জ সদর থানা তার অভিযোগ গ্রহণ করে। বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ অভিযোগটি তদন্ত করছে বলে ধানের মালিক জানিয়েছেন।
ধান ব্যবসায়ী আমির আলী গত ২৭ এপ্রিল মেসার্স সুনামগঞ্জ মডার্ণ ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মাধ্যমে একটি ট্রাক নং (ঢাকা-মেট্রো-ট-২০-৫৯৭৯)-কে ১৭ হাজার টাকায় ভাড়া করেন। এদিন রাত ৯টার দিকে হক সুপার মার্কেট ওয়েজখালি সুনামগঞ্জ থেকে ২২০ বস্তা (৪৪০ মণ) ধান নিয়ে কুমিল্লার ভাটেরা কংশনগর জাপান বাংলা আলি আশ্রাফ মেম্বারের অটোরাইসমিলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ট্রাকচালক সাজু মিয়া। রাতে কয়েক ঘণ্টা চালকের মোবাইলে যোগাযোগ করলেও সকালে ফোন দিলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। যা এখন পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।
ধানের মালিক আমির আলী জানান, এ ব্যাপারে তিনি গত ২৭ এপ্রিল এর পর বেশ কয়েক দফা দিরাই থানা ও সুনামগঞ্জ সদর থানায় ধর্ণা দেন সাধারণ ডায়েরী করার জন্য। প্রথমত কেউ তার সাধারণ ডায়েরী গ্রহণ করেননি। অবশেষে গত ৩ মে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা তার অভিযোগ গ্রহণ করে। থানার অভিযোগ নং আর-১৯/ ৫৭৬/২১। তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রথম দিকে পুলিশ তার সাধারণ ডায়েরী গ্রহণ করলে সোয়া ৪ লক্ষ টাকার ধান উদ্ধার করা সম্ভব হতো।
ধান নিয়ে গাড়ি উধাও হওয়া ঘটনার একদিন পর গত ২৮ এপ্রিল মেসার্স সুনামগঞ্জ মডার্ণ ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক মো. হাবিবুর রহমান দিরাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন ডায়েরী নং ১২৮৬ বলে জানা গেছে ।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী অফিসার সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা তদন্ত শুরু করেছি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ