কমলগঞ্জে সরকারী কালভার্টের মুখ বন্ধ করে গৃহ নির্মাণ ঃ ৫ টি গ্রামে জলাবদ্ধতা

প্রকাশিত: ৭:৩১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১, ২০২০

কমলগঞ্জে সরকারী কালভার্টের মুখ বন্ধ করে গৃহ নির্মাণ ঃ ৫ টি গ্রামে জলাবদ্ধতা

স্বপন দেব,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের ভানুবিল ভায়া ছনগাও সড়কের তেতইগাও নামক এলাকায় সরকারী কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ধানি জমিতে মাটি ভরাট করায় ৫টি গ্রামে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে গ্রামের বাড়ি ঘরে পানি জমে থাকে। চরম ুর্ভোগে পোহচ্ছেন বলে গ্রামবাসী অভিযোগ করেছেন। বুধবার সরেজমিনে গেলে এমন চিত্র খো যায়।
গ্রামবাসীরা জানান, তেতইগাও, ছনগাঁও, ভানুবিলসহ ৫টি গ্রামের পানি নিস্কাশন হয় আদমপুর ভায়া ভানুবিল পাকা সড়কে নির্মিত এই কালর্ভাট দিয়ে। ীর্ঘ নি ধরে পানি নিস্কাশন হলেও সম্প্রতি তেতইগাঁও গ্রামের জনৈক বিদ্যামনি সিংহ কালভার্ট এর উত্তর দিকের ধানী জমিতে বসতঘর নির্মাণ করা উদ্যোগে নেন। মালিক নিজ জমিতে মাটি ভরাট করার পাশাপাশি গ্রামের কালভার্টের মুখ বালি ফেলে বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে কালভার্ট বন্ধ করায় অল্প বৃষ্টিতে পানি ৫ গ্রাম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি যেতে না পারায় রাস্তার উপরে পানি উঠে যায়। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রামবাসীকে। পানিতে নিমজ্জিত থাকে নিচু এলাকা।
তেতইগাঁও গ্রামের একজন স্কুল শিক্ষক বলেন, একটি সরকারী রাস্তার কালভার্ট ভরাট করায় পানি নিস্কাশন হচ্ছে না। গ্রামবাসী কালভাটের্র মুখ ভরাট করার বিষযটি আদমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত জানালেও তিনি কোন ব্যবস্থা না করায় মালিক বিদ্যামনি সিংহ দ্রুত ঘর তৈরী উদ্যোগ নিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, নিজের জমিও ভরাট করলে প্রথমে ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের সরকারি অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু জমির মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় সরকারে আদেশ অমান্য করে বসতঘর নিমার্ণ করছেন।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যামনি সিংহ বলেন, উল্লেখিত ধানি জমিতে তার এক বোনের জন্য একটি গৃহ নির্মাণ করতেই মাটি ভরাট করা হয়েছে। যদি মাটি ভরাটে সমস্যা হয় তা তিনি সমাধানের চেষ্টা করবেন।
আদমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বলেন, তিনি অনেক দিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ছিলেন। গত ২৪ জুন দেশে ফিরেছেন। অভিযোগটি করা হলে তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে থাকতে পারে। তারপরও তিনি তা খতিয়ে দেখে সমস্যার সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নিবেন ।
কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাসরিন চৌধুরী বলেন, কৃষি জমি হোক আর অন্য জমি হোক তার শ্রেণি পরিবর্তনে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে হয়। এখানে সরকারি অনুমতি না নিয়ে কোনভাবে মাটি ভরাট করা ঠিক হয়নি। সরেজমিন তদন্তক্রমে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ