কমলগঞ্জ ব্যাংক কর্মকর্তা ইমরানের এক মাসেও করোনা পরীক্ষার ফল আসেনি!

প্রকাশিত: ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, জুন ২২, ২০২০

কমলগঞ্জ ব্যাংক কর্মকর্তা ইমরানের এক মাসেও করোনা পরীক্ষার ফল আসেনি!

স্বপন দেব, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের সোনালী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার ইমরান হাবিব করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছিলেন ব্যাংকের সবার সাথে গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে। তিনি নমুনা দিয়েছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। গত ১ মে সন্ধ্যায় প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি ও একই শাখার নিরাপত্তাকর্মীর করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এরপর থেকে ইমরান কমলগঞ্জে ভাড়া বাসায় সপরিবারে আইসোলেশনে আছেন।

চার দিন পর দ্বিতীয় ফায় পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। তিনি এর ১০ নি পর আবারও নমুনা পরীক্ষার জন্য দেন। কিন্তু এখনো সেই নমুনার ফল আসেনি।
ীর্ঘনি ধরে আইসোলেশনে থেকে ইমরান হাবিবের মনোবল ক্রমে ুর্বল হয়ে পড়ছে। আজ সোমবার এই প্রতিবেক বলেন, একা থাকতে থাকতে তিনি সাহস ও ভরসা হারিয়ে ফেলছি, মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছি।

তাঁর সঙ্গে বা পরে অনেকেই নমুনা দিয়েও কয়েক দিনের মধ্যে ফলাফল পেয়েছেন। অথচ ১ মাসের বেশি সময় ধরে তিনি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় আছেন। তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলেও ফলাফল আসছে না বলে আর কোনো সঠিক জবাব তাঁকে দেয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় তিনি চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন।

সোনালী ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখায় সিনিয়র স্টাফ ছমির উদ্দীন বলেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন না, এত দিনে কেন ইমরান হাবিবের ফলাফল আসছে না। একই শাখার পিয়ন করোনাজয়ী ুলাল মিয়া বলেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার পর প্রথমেই সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়। স্থানীয়ভাবে চরমুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। তিনি সুস্থ হয়ে আবার কাজে ব্যস্ত থাকায় এখন মানসিকভাবে চাঙা আছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে ইমরান হাবিবকে আইসোলেশন থেকে বের করে আনা যায়, তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
কমলগঞ্জ ব্যাংক কর্মকর্তা ইমরানের এক মাসেও করোনা পরীক্ষার ফল আসেনি!

স্বপন দেব, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের সোনালী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার ইমরান হাবিব করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছিলেন ব্যাংকের সবার সাথে গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে। তিনি নমুনা দিয়েছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। গত ১ মে সন্ধ্যায় প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি ও একই শাখার নিরাপত্তাকর্মীর করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এরপর থেকে ইমরান কমলগঞ্জে ভাড়া বাসায় সপরিবারে আইসোলেশনে আছেন।

চার দিন পর দ্বিতীয় ফায় পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। তিনি এর ১০ নি পর আবারও নমুনা পরীক্ষার জন্য দেন। কিন্তু এখনো সেই নমুনার ফল আসেনি।
ীর্ঘনি ধরে আইসোলেশনে থেকে ইমরান হাবিবের মনোবল ক্রমে ুর্বল হয়ে পড়ছে। আজ সোমবার এই প্রতিবেক বলেন, একা থাকতে থাকতে তিনি সাহস ও ভরসা হারিয়ে ফেলছি, মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছি।

তাঁর সঙ্গে বা পরে অনেকেই নমুনা দিয়েও কয়েক দিনের মধ্যে ফলাফল পেয়েছেন। অথচ ১ মাসের বেশি সময় ধরে তিনি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় আছেন। তিনি আরও বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলেও ফলাফল আসছে না বলে আর কোনো সঠিক জবাব তাঁকে দেয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় তিনি চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন।

সোনালী ব্যাংক কমলগঞ্জ শাখায় সিনিয়র স্টাফ ছমির উদ্দীন বলেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন না, এত দিনে কেন ইমরান হাবিবের ফলাফল আসছে না। একই শাখার পিয়ন করোনাজয়ী ুলাল মিয়া বলেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার পর প্রথমেই সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়। স্থানীয়ভাবে চরমুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। তিনি সুস্থ হয়ে আবার কাজে ব্যস্ত থাকায় এখন মানসিকভাবে চাঙা আছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কীভাবে ইমরান হাবিবকে আইসোলেশন থেকে বের করে আনা যায়, তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728     
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ