করোনার সুযোগে সমালোচকদের দমন করছে বহুদেশ

প্রকাশিত: ৪:০৯ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

করোনার সুযোগে সমালোচকদের দমন করছে বহুদেশ

সিল-নিউজ-বিডি ডেস্ক :: করোনা মহামারীতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারের স্বেচ্ছাচারী আচরণও বেড়ে গেছে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি ক্রমবর্ধমান হুমকি।

বেশ কয়েকশ সাবেক প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট, নোবেলজয়ী ও আইনপ্রণেতা এক খোলা চিঠিতে এমন হুশিয়ারি দিয়েছেন। গত ডিসেম্বরে চীনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর উহানে প্রথম এই ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

এতে ইউরোপ, এশিয়া, আমেরিকা ও আফ্রিকান দেশগুলো নাগরিকদের স্বাধীনভাবে চলাচল, বাকস্বাধীনতা, গণজমায়েত ও নাগরিক অধিকারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে স্বৈরাচারী সরকারগুলো বিরোধী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের চুপ করিয়ে দিতে এবং রাজনৈতিক কর্তৃত্ব আরও মজবুত করতে এই সংকটকে ব্যবহার করছে।

অন্তত পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি খোলা চিঠিতে সই করেছেন। যাদের মধ্যে সাবেক ৬০ নেতা রয়েছেন।

স্টোকহোমভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্ট(আইডিইএ) এই খোলা চিঠির আয়োজন করেছেন।

এতে বলা হয়, এমনকি অনেক গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারও করোনা প্রতিরোধে উপায় হিসেবে জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করছে। এতে মানবাধিকার সীমিত করে দেয়া হচ্ছে ও সংসদীয় তদারকিতে আইনের বিধিনিষেধ বিবেচনায় না নিয়েই রাষ্ট্রীয় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতব্য আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক কেন্দ্র জানায়, ৮০টিরও বেশি দেশে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যাতে কারফিউ থেকে শুরু করে অতিরিক্ত নজরদারি, সেন্সরশিপ ও অতিরিক্ত নির্বাহী ক্ষমতা লঙ্ঘন করলে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

আইডিইএর মহাসচিব জানায়, এসবের সার্বিক প্রভাব পড়েছে গণতান্ত্রিক নীতিমালার ওপর। জরুরি ক্ষমতা ব্যবহারের বৈধ কারণ আছে। কিন্তু সমস্যাটি তখনই সামনে আসে, যখন স্বাধীন গণমাধ্যম ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারের ওপর তারা চড়াও হয়।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ