কানাইঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাহারের দাফন সম্পন্ন শোকাহত পরিবারের পাশে পলাশ

প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২০

কানাইঘাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাহারের দাফন সম্পন্ন শোকাহত পরিবারের পাশে পলাশ

কানাইঘাট প্রতিনিধি
সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে অট্রোরিক্সা (সিএনজি) র্দূঘটনায় নিহত কানাইঘাটের বাহার বেগমের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পবিত্র মাগরিবের নামাজের পর তার নিজ বাড়ি উপজেলার সাতবাঁক ইউপি’র জুলাই আগরচটি গ্রামের জামে মসজিদে নামাজে যানাজা শেষে মহল্লার কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় ৪ সন্তানের জননী বাহার বেগম ঐ গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী। গত সোমবার বাহার বেগমকে ডাক্তার দেখানো জন্য তার বড় মেয়ে মরিয়ম বেগম ও বাতিজা বুরহান উদ্দিন সিলেট শহরে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তার দেখিয়ে রাত ৯টার দিকে যাত্রীবাহী সিএনজি (অট্রোরিক্সা) যোগে তারা বাড়িতে ফিরছিলেন। পথেমধ্যে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের হরিপুর পাখিটিকি নামকস্থানে আসা মাত্র সিএনজি গাড়িটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রট ভর্তি একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দেয়। এতে চালক সহ সিএনজি (অট্রোরিক্সা)’র সকল যাত্রী রক্তাক্ত আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে নেওয়ার পরপরই বাহার বেগমের মৃত্যু হয়। এবং তার বড় মেয়ে মরিয়ম বেগম ও ভাতিজা বুরহান উদ্দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এদিকে গুরুত্বর আহত আরো ৩জনের বাড়ি কানাইঘাট পৌরসভার নন্দিরাই গ্রামে। জানা যায় একই দিন মৃত ফয়জুর রহমানের একমাত্র ছেলে মামুন রশিদ তার মা ছায়ারুন বেগম ও সাফা নামের শিশু মেয়েকে নিয়ে সিলেটে ডাক্তার দেখাতে যান। আসার পথে তারাও ঐ সিএনজি (অট্রেরিক্সা)’র যাত্রী ছিলেন। তাদের পরিবারের ৩ জনের মধ্যে শিশু কন্যা সাফার অবস্থা আশংকাজনক। অপরদিকে সিএনজি চালকের বাড়ি কানাইঘাট পৌরসভার বিষ্ণুপুর করচটি গ্রামে। তিনিও গুরুত্বর জখম হয়ে ওসমানীতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছেন সিলেটের দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশ মস্তাক আহমদ পলাশ। তিনি বলেন, সুহাদা-মেহেদি স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে শোকাহত পরিবারকে সব ধরণের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ