গোয়াইনঘাটে চাউলের দাম কিছুটা নিম্নমুখী হলেও আলু ও পেঁয়াজের বাজার অস্হির

প্রকাশিত: ৩:৩২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০২০

গোয়াইনঘাটে চাউলের দাম কিছুটা নিম্নমুখী হলেও আলু ও পেঁয়াজের বাজার অস্হির
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ
পঞ্চাশ টাকায় আলু কিনতে গেলে বুকে খচ করে লাগারই কথা। গত সাপ্তাহের মত এ সপ্তাহেও পেঁয়াজের বাজারে রয়েছে অস্থিরতা। গত সপ্তাহে পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি ছিল ৫০ টাকা এ সপ্তাহে দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ এর মূল্য বাড়ায় বরাবরের মতো বেড়েছে দেশী পেঁয়াজের দাম, তবে আদা রসুন বিক্রি হচ্ছে আগের মূল্যে। পাইকারি বাজারে আমন মৌসুমের চাল আসতে শুরু করায় এবং আমদানি অব্যাহত থাকায় চালের দাম কিছুটা নিম্নমুখী। একই রকমভাবে ভোজ্য তেল ডাল অপরিবর্তিত রয়েছে পাইকারি বাজারে, কিন্তু পাইকারি ও খুচরা বাজারে আলুর দাম অস্বাভাবিক পাইকারি বাজারের দাবী আলুর দাম ২৫ টাকা কেজি খুচরা বাজারের বিক্রেতারা তা জানেনা, খুচরা বিক্রেতারা বলছেন আলুর বিভিন্ন ধরন আছে। যেমন গোল জাতীয় মিষ্টি আলো ২৫ টাকা কেজি লাভ ও একটু বেশি। যেটা অনেক ক্রেতারা ক্রয় করতে অনিচ্ছুক। বাজারে গিয়ে দিশেহারা মধ্যবিত্ত ও স্বল্পআয়ের মানুষ। এ সপ্তাহে ৩০০ টাকা ছুঁয়েছে কাঁচামরিচ। সেই সঙ্গে অনেক সবজির কেজি ১০০ টাকার ঘরে। নতুন করে বেড়েছে আলু ও ডিমের দাম। সবকিছু মিলিয়ে বাজারে গিয়ে দিশেহারা মধ্যবিত্ত ও স্বল্পআয়ের মানুষ। চড়া দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরেই। এরমধ্যে ৫-৬টি সবজির কেজি ১০০ টাকা। বাকি সবজির বেশিরভাগের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার কাছাকাছি। কাঁচা মরিচ ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত কেজি বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ৪০ থেকে ৪২ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আলুর দাম বেড়ে হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। ১১০ থেকে ১১৫ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিমের দাম বেড়ে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর ৪০ থেকে ৫০ টাকা পোয়া (২৫০) বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে কাঁচা মরিচের দাম ১২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। আর উস্তের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। বরবটির কেজি গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। বেগুনও গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে অন্য সবজিগুলোও স্বস্তি দিচ্ছে না। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক হালি কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ঝিঙা, কাঁকরোল, ধুন্দুলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। শফিক আহমেদ নামে এক ক্রেতা বলেন, অনেক দিন ধরেই সবজির দাম চড়া। এর মধ্যেই তেল, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, ডিমের দাম বেড়ে গেল। আগে কখনো পুরাতন আলুর কেজি ৪০ টাকা কিনে খাইনি। এখন পুরাতন আলুর কেজি ৪৫ টাকা কিনে খেতে হচ্ছেও কীভাবে? এলাকাবাসীর সচেতন ক্রেতাদের মতে সঠিক মনিটরিং ও পর্যবেক্ষণ এর অভাবে পাইকারি ও খুচরা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকছে না,কিছু অসাধু আড়ৎদার ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছে

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
      1
3031     
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ