গ্রীন বাংলার অভিনেতা এসআই আকবরকে নিয়ে সিলেটে তোলপাড় !

প্রকাশিত: ৮:১১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২০

গ্রীন বাংলার অভিনেতা এসআই আকবরকে নিয়ে সিলেটে তোলপাড় !

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীর কাষ্টঘর এলাকায় রায়হান আহমদ নামে এক যুবকের মৃত্যু নিয়ে সিলেটজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তীর ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) ও গ্রীন বাংলার অভিনেতা আকবর হোসেন দিকে যাচ্ছে। আন্দোলনের প্রেক্ষিতে সিলেটের কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রায়হান উদ্দিন আহমদের (৩৪) মৃত্যুর ঘটনায় ফাঁড়িটির ইনচার্জ পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মহানগর পুলিশ। একই সাথে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের মুখপাত্র জ্যোতির্ময় সরকার বিষয়টি সোমবার বিকেলে নিশ্চিত করেছেন। সিলেটের নাঠ্যকার বেলাল আহমদ মোরাদের ‘গ্রীন বাংলা’ চ্যানেলে অভিনয়ের কাজ করতেন এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া। মোরাদের টিমের সাথে তার একাধিক নাটক রয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তোলপাড় শুরু হয়েছে। মোরাদকে নিয়ে নানাবিধ মন্তব্য করছেন সচেতন মহল। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোরাদ আকবরকে নিয়ে কোন ধরণের মন্তব্য করেননি। এত বড় একজন অপরাধীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না মোরাদের গ্রীণ বাংলা পরিবার। আকবর গ্রীন বাংলা পরিবারের সাথে থাকায় সমাজের ভালো মানুষ বলে সকলেই চিনতো। আকবর হলেন একজন মুকুটহীন সম্রাট। সিলেট জুড়ে তার শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কিন্তু নিরব ভুমিকা পালন করছেন গ্রীণ বাংলার পরিচালক বেলাল আহমদ মোরাদ।
আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে নিয়ে বেলাল আহমদ মোরাদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি সিলনিউজ বিডি’কে বলেন, যদি আকবর সত্যিকারের অপরাধী হয় তাহলে আমিও তার শাস্তির দাবি করছি। এই বিষয় নিয়ে আমি একটি ভিডিও বার্তা দিচ্ছি। প্রসঙ্গত, গত রোববার ভোরে রায়হান উদ্দিন (৩৩) নামে সিলেট নগরের আখালিয়ার এক যুবক নিহত হন। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ছিনতাইয়ের দায়ে নগরের কাষ্টঘর এলাকায় গণপিটুনিতে নিহত হন রায়হান। এদিকে রায়হানের পরিবারের অভিযোগ পুলিশের নির্যাতনে খুন হয়েছেন রায়হান।রায়হানের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নগরের মিরের ময়দান এলাকায় শাহজালাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক চিকিৎসকের সহকারি হিসেবে কাজ করতেন রায়হান। তিনি নগরের নগরের আখালিয়া এলাকার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে বাসিন্দা।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ