ঘাসিটুলায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত প্রতিবন্ধি মতিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

প্রকাশিত: ৪:১২ অপরাহ্ণ, জুন ১৪, ২০২০

ঘাসিটুলায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত প্রতিবন্ধি মতিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

সিল-নিউজ-বিডি ডেস্ক :: সিলেট নগরীর ঘাসিটুলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিবন্ধি আব্দুল মতিনের উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। আব্দুল মতিনের বুকে, পিটে ও কাঁধ সহ পুরো শরীরে রামদা, চাকু ও দেশীয় অস্ত্রের গুরুতর আঘাত রয়েছে। বর্তমানে তিনি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গতকাল রাতে তাকে ৩ ব্যাগ ও আজ আরো এক ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আহতের ভাই রাসেল আহমদ। গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঘাসিটুলা সবুজ সেনা ব্লক-বি এর রশিদ আলীর কলোনীর সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা প্রতিবন্ধী আব্দুল মতিন ওই এলাকার মঈন উদ্দিন মিয়ার পুত্র।

এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। যার নং- ১০ (১২.০৬.২০২০)।

মামলার আসামীরা হলেন, নগরীর ঘাসিটুলা সবুজ সেনা ৭০/বি এর বাসিন্দা শফিক মিয়ার পুত্র আপ্তাব আহমদ (৩৮), সেলিম মিয়ার পুত্র রানা আহমদ (২৫), শফিক মিয়ার পুত্র জুনেদ আহমদ (২৭) ও আহাদ আহমদ (৩০)।

মামলা সূত্রে জানা যায়- আসামীদের সাথে মামলার বাদী রাসেল আহমদের পরিবারের পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। এর জের ধরে গত ২৭ মে রাসেলের ভাই শাহীন আহমদকে রাস্তায় একা পেয়ে হুমকি ধমকি দেন অভিযুক্ত আপ্তাব ও আহাদ। এ ঘটনায় পরদিন কোতোয়ালী থানায় জিডি করেন শাহীন (যার নং- ১৩২৭)। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাজমিস্ত্রীর টাকা পাওয়ার অজুহাতে মামলায় অভিযুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন রাসেলের প্রতিবন্ধি ভাই আব্দুল মতিনের উপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র দা, রামদা, চাকু, লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ী আঘাত করতে থাকে। এক পর্যায়ে আব্দুল মতিন অজ্ঞাত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। তখন মৃত ভেবে হামলাকারীরা চলে যায়। যাওয়ার সময় তার পকেট থেকে একটি মোবাইল ও নগদ ৬ হাজার ৫’শ টাকা নিয়ে যায়।

পরে আশপাশের লোকজন খবর দিলে আহতের ভাই রাসেল আহমদ এসে তাকে উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে আব্দুল মতিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন রাসেল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দেবাশীষ দেব বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামীরা পলাতক থাকায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ