চীনে আটক কানাডার দুই নাগরিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ

প্রকাশিত: ১২:২৮ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২০

চীনে আটক কানাডার দুই নাগরিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক :; কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো চীনে কানাডার আটক দুই নাগরিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডু বলেছেন, সরকার ১৮ মাস ধরে চীনে আটক দুই কানাডিয়ানকে মুক্তির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।

চীন শুক্রবার আটক ওই দুই কানাডার নাগরিকের বিরূদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে।

জাস্টিন ট্রুডো বলেন, চীন প্রসিকিউটররা যে অভিযোগ এনেছেন তাতে আমি অত্যন্ত হতাশ হয়েছি।

এ ঘটনায় দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, চীনে আটক মাইকেল কোভরিগ হলেন সাবেক কূটনীতিক এবং মাইকেল স্পাভর হলেন একজন ব্যবসায়ী।

তাদেরকে আটকের ১৮ মাস পর সরকারিভাবে তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। কোভরিগের মামলাটি বেইজিংয়ের প্রসিকিউটররা এবং স্পাভরের মামলাটি দেশটির উত্তর-পূর্ব প্রদেশের লিয়াওনিংয়ের প্রসিকিউটররা পরিচালনা করছেন।

জানা গেছে, চীনা নাগরিক মেং ওয়াংঝু গত বছরের ডিসেম্বরে কানাডায় আটক হওয়ার পর ওই দু’জনকে আটক করে চীন। মেং ওয়াংঝু আটকের পর থেকেই দেশ দু’টির মধ্যে বৈরিতা বাড়তে থাকে। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে মেং ওয়াংঝুকে আটক করে কানাডা।

মেং ওয়াংঝু আটক হওয়ার পর থেকেই কানাডার নিন্দা করে আসছে চীন। ওই তিন ব্যক্তির আটকের ঘটনায় চীন-কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে মেং ওয়াংঝুকে আটক করে কানাডা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কানাডার কর্তৃপক্ষকে বারবার তাদের ‘ ভুল সংশোধন’ করার এবং মেং ওয়াংঝুকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যখন একটি টানাপোড়েনের সম্পর্ক চলছিল, ঠিক তখনই গ্রেফতার হন মেং ওয়াংঝু। তার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানে প্রযুক্তি বিক্রি করার অভিযোগ আনা হয়।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ