জকিগঞ্জে ৫৫টি পরিবার পেলো প্রধানমন্ত্রীর ‘স্বপ্ননীড়’

প্রকাশিত: ৭:১১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২১

জকিগঞ্জে ৫৫টি পরিবার পেলো প্রধানমন্ত্রীর ‘স্বপ্ননীড়’

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি :: জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে জকিগঞ্জে ৫৫টি পরিবার পেয়েছে মাথা গোঁজার ঠাঁই ‘স্বপ্ননীড়’। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিতভাবে সারাদেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ‘স্বপ্ননীড়’ ১৩০টি বরাদ্ধ হয়। এর মধ্যে শনিবার প্রাথমিকভাবে ৫৫টি নির্মিত ঘর প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও করফারেন্সের মাধ্যমে উপকারভোগীদের নিকট হস্তান্তর করেন। বাকী ৭৫টি ঘরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুত করা হবে।

জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী আক্তার, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আনোয়ার হোসেন সাগর, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পল্লব হোম দাস, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মেহেদী, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, জকিগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসের, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাকিম হায়দর, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আকরাম আলী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাজেদা রওশন শ্যামলীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানগণ।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন শেষে উপজেলা প্রশাসন জকিগঞ্জের ৫৫টি পরিবারের সংশ্লিষ্টদের হাতে কাছে জেলা প্রশাসন স্বাক্ষরিত ‘স্বপ্ননীড়’ নামের রঙিন ঘরের কবুলিয়ত ও নামজারি সম্বলিত জমির মালিকানা সনদ তুলে দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী আক্তার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের পর প্রাথমিকভাবে ৫৫টি ঘরের কবুলিয়ত ও নামজারি সম্বলিত জমির মালিকানা সনদ তুলে দেয়া হয়েছে। বাকী ৭৫টি ঘরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুত করা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আতাউর রহমান জানান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খাস জমিতে এসব ঘর তৈরী করা হয়েছে। বিরশ্রী ইউনিয়নে মইয়াখালীতে ১৭টি, রাধার বাজারে ৬টি, সুলতানপুর ইউনিয়নের কেরাইয়া গ্রামে ১৪টি, বারহাল ইউনিয়নের শাহবাগে ৭টি, বারঠাকুরী ইউনিয়নে ৭টি, কাজলসার ইউনিয়নে ৪টি নির্মান করা হয়।

প্রকৃতির ছোঁয়া লাগানো পরিবেশে নির্মিত হয়েছে ঘরগুলি। নির্মাণ কাজ তদারকি করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পল্লব হোম দাস, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আতাউর রহমান। প্রতিটি ঘর আধা পাকা এবং চাল রঙ্গিন টিনের তৈরী। দুই শতক জমির প্রতিটি ঘরে রয়েছে রান্নাঘর, বাথরুম ও বারান্দা। প্রতিটি ঘর তৈরীতে খরচ হয়েছে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ