জনমের বিদায় দিয়ে এলাম জননেতা কামরানকে

প্রকাশিত: ৮:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২০

জনমের বিদায় দিয়ে এলাম জননেতা কামরানকে

বাবর হোসেন: ‘মুরদায় ডাকিয়া কয় জিন্দারে ভাই আজ বুঝি দিলা মোরে জনমের বিদায়,সেই জনমের বিদায় দিয়ে এলাম বদর উদ্দিন কামরানকে আজ ১৫জুন সোমবার বেলা আড়াইটার সময়।সিলেট নগরীর মানিক পীরের টিলা ও কবরস্হানের সামনের রাস্তায় দাড়িঁয়ে জানাযার নামাজা আদায় করে।কারো কান্না নেই ,থেমে গেছে সবাইকে দেখলাম হাহাকার করতে । শুধু আমার নয় আরো অনেকেরই আশা-ভরষা ও সুখ-দুঃখের সাথী ছিলেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান,আমি আওয়ামীলীগের কেউ নই,কখনো ছিলাম না কিন্তু কেনো জানি কামরান আমাকে এতো ভালোবাসতেন। সাংবাদিক হিসেবে আমাকে কোনো দিন তাঁর প্রয়োজন হয়নি,কামরানের বিপক্ষে যায় কিংবা তার সমালোচনা করে আমি যত লেখালেখী করেছি অন্য কোনো সাংবাদিক সেগুলোর চারভাগের একভাগও করেছেন কিনা আমার সন্দেহ হয় কিন্তু সেই সব লেখালেখীতে আমাদের দুজনের ব্যক্তিগত সম্পর্কে এতটুকু ফাটল ধরাতে পারেনি।এত বড় ধরনের মন মানষিকতার লোক ছিলেন বদর উদ্দিন কামরান। সেই কামরানের জানাযা কিংবা শেষ বিদায় এভাবে হবে তা কোনো দিন ভাবতেই পারিনী।কামরানের মেয়ের প্রথম সন্তান হবারপর বাংলার বারুদে ছবিসহ একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিলো ‘নাতি নিয়ে নাতুনতেঙ্গা,, পএিকা পেয়েই ফোন করে বলেছিলেন ‘বাবর ভাই আপনে হেডিং মাষ্টার’ এভাবে বদর উদ্দিন কামরানের অনেক স্মৃতি আছে কিন্তু তার আকস্মির্ক মৃত্যুতে যেনো সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। কামরান চলে গেছেন, তা এখনো আমার অন্তরে ঠাই করে নিতে পারিনি,কেবলই মনে হচ্ছে খোকনকে আরেকটা ফোন করে জানি কিন্তু বাস্তব হলো কবরে শায়ীত কামরানের ছওয়াল-জওয়াব তিনি একাই দিতে হচ্ছে মানিকপীরের টিলার কবরস্হানে। আমি একবার বাংলার বারুদে লিখেছিলাম,’আদরের বদর’ তিনি লন্ডন থেকে ফিরে এসে আমাকে ফোন করে বলেছিলেন ‘আপনি আদর করেন বলেই লিখতে পেরেছেন, যতদিন বাচঁবেন ততদিন যেনো সেই আদর টুকু থাকে’ কামরান সাধারন মানুষের যে আদর পেয়ে গেছেন,আমার মনে হয়না এধরনের আদর অন্য কোনো জননেতা কিংবা জনপ্রতিনিধির ভাগ্যে ভবিষ্যতে ঝুটবে কিনা। দোয়া করি মানুষের আদরের সেই কামরানকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনও যেনো তাঁর আদরের ছায়াতলে জান্নাতবাসী করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ