জালালাবাদ ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী পালন

প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৬, ২০২১

জালালাবাদ ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী পালন

অনলাইন ডেস্ক:: জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষকবৃন্দ এবং অনলাইনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে যথাযোগ্য মর্যাদায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে উদ্যাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে ছিল কুরআন তেলাওয়াত ও মোনাজত, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিষয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ‘মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং স্বাধীনতা’ বিষয়ে কুইজ ও রচনা প্রতিযোগিতা, তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস, তাৎপর্য ও প্রাপ্তি সম্পর্কে আলোচনাসভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আজ ২৬ মার্চ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রতিষ্ঠানের কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. কুদ্দুসুর রহমান, পিএসসি।

প্রতিষ্ঠানের বাংলা বিভাগের প্রভাষক অপর্ণা বিশ্বাস ও সহকারী শিক্ষক শিপ্রা রানী দাশের যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মো. আতাউর রহমান। মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. জয়নাল আবেদীন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন সহকারী শিক্ষক শরীফা। স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস, তাৎপর্য ও প্রাপ্তি সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন সহকারী শিক্ষক শবনম চৌধুরী ও কামাল আহমেদ আম্বিয়া, দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ইফতেখার আহমেদ আবির, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রত্যাশা তালুকদার তন্বী। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে ‘স্বাধীনতা আমাদের কী করে হলো’ শিরোনামে একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বপূর্ণ অবদান এবং মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে এবং তাদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সর্বদা জাগ্রত রাখতে হবে। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনাদের জীবনাদর্শ থেকে বর্তমান প্রজন্মকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে, তবেই আমাদের স্বাধীনতা তাৎপর্যপূর্ণ ও মহিমান্বিত হবে এবং স্বাধীনতার সুফল সকল পর্যায়ে প্রতিফলিত হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. কুদ্দুসুর রহমান বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদেরকে পুরস্কার প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ব্যবস্থাপনা বিষয়ের প্রভাষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন আহমেদ মামুন এবং অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কলেজ উপাধ্যক্ষ মো. আরিফ সেলিম রেজা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
     12
24252627282930
31      
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ