টিকা নিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত: ৫:১২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১

টিকা নিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণটিকাদান কার্যক্রমের প্রথম দিনেই সিলেটে টিকা নিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান। তাকে টিকাদানের মধ্য দিয়ে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেটে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এর পর টিকা নেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম। টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর তিনি তার শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন।

টিকা প্রয়োগ শেষে জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, টিকা নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি থাকার কথা নয়। এটা একটা গবেষণালব্ধ ভ্যাকসিন। তাই স্বাভাবিকভাবে আমাদের সকলকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে হবে। দেশে সংক্রমণের আট-নয় মাসের মাথায় আমরা ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, এতে ভয়ের কোন কারণ নেই। আমি নিজে টিকা নিয়েছি, আমাদের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান তিনি টিকা নিয়েছেন। সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল-আজাদ, প্রবীণ খেলোয়াড় রণজিৎ তিনি টিকা নিয়েছেন। সকলেই এখন পর্যন্ত সুস্থ আছি আমরা। আমরা টিকা নেয়ার পূর্বে যেমন ছিলাম, ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরও একই আছি। তাই এ নিয়ে অপপ্রচার না চালানো ও অপপ্রচারে কান না দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশের মতো রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে এমএজি ওসমানী হাসপাতালে টিকা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকাদান শুরু হয় সিলেটে। সিলেটে এক ভার্চুয়াল বক্তব্যের মাধ্যমে সিলেটে টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

এদিন সকাল ১১ টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত কেন্দ্রের ১০, ১১ ও ৪ নং বুথে তিনজনের টিকাদানের মাধ্যমে সিলেটে ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রম শুরু হয়। সিলেটে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকা নেয়া প্রথম তিনজন হলেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি, সিটি কাউন্সিলর তৌফিক বক্স লিপন ও সাংবাদিকদের মধ্যে জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদ।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ২ লাখ ২৮ হাজার ডোজ করোনা ভ্যাকসিন সিলেটে এসে পৌঁছে। সেদিন দুপুরে বেক্সিমকো ফার্মার একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কাভার্ডভ্যানে ১৯০ টি কার্টনে ২ লাখ ২৮ হাজার ডোজের ভ্যাকসিন নগরীর চৌহাট্টাস্থ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়। যার প্রতি কার্টনে রয়েছে ১ হাজার ২০০ ভায়াল।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ