‘তেজি’ হেফাজতের লাগামে টান

প্রকাশিত: ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২০, ২০২১

‘তেজি’ হেফাজতের লাগামে টান

অনলাইন ডেস্ক

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের বিরোধিতায় এক সপ্তাহ আগে থেকে বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে আসছিলেন কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। করেছেন ছোটখাট বিক্ষোভও। কিন্তু তাদের ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা যায় নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় আসার পর। স্বাধীনতা দিবসে অর্থাৎ ২৬ মার্চ একেবারে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের ডাক দেন তারা। এই বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ঢাকায় আহত হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ঝরে চার প্রাণ।

এরপর দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস আন্দোলন হতে থাকে। একপর্যায়ে হেফাজত ২৮ মার্চ হরতাল ডাকে। আবার এই হরতাল ঘিরে শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা। দেশের সরকারি বিভিন্ন দফতর, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কার্যালয় কিংবা নেতাদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসবের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন হেফাজত নেতাকর্মীর প্রাণহানিও হয়েছে। সরকারও পরিকল্পিতভাবে থামায় হেফাজতের এ আন্দোলন।

এর কয়েকদিন পর ঘটে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ড। ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীসহ কতিপয় লোকজনের কাছে অবরুদ্ধ হন মামুনুল। খানিকবাদে সেই রিসোর্টে হামলা-ভাঙচুর করে মামুনুলকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান হেফাজতের নেতাকর্মীরা। পরে সেই ঘটনায় একাধিক মামলা হয় হেফাজত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

সেই ঘটনাপ্রবাহ গড়ায় বহুদূর। দ্বিতীয় স্ত্রীর প্রথম সংসারের ছেলে তার মায়ের বিয়ে বিচ্ছেদের পেছনে মামুনুল হককে অভিযুক্ত করেন। এরপর মামুনুলের তৃতীয় বিয়ের খবরও পাওয়া যায় মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা এক সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি)। এ নিয়ে ব্যাপক ইমেজ সংকটে পড়ে হেফাজত।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ