দক্ষিণ সুরমায় আ’লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, গুলিবিদ্ধ ১৭

প্রকাশিত: ২:০৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০১৮

দক্ষিণ সুরমায় আ’লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, গুলিবিদ্ধ ১৭

জাবেদ এমরান : আওয়ামী লীগ নেতা গৌছ মিয়া ও আলফু চেয়ারম্যানের সমর্তকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় ২ জন নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় ১৭ জন। নিহতরা হলেন বাবুল মিয়া (৩৫) ও মাসুক মিয়া (৫৫)। তারা গৌছ মিয়ার পক্ষের লোক বলে এলাকাবাসি জানায়। বাবুল ও মাসুক মিয়া উভয়ে বরইকান্দির ৩নং রোডের শাহপরান মিল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। সোমবার সকালে স্থানীও ভাবে দু’পক্ষকে নিয়ে আপোস মীমাংসা প্রস্তুতি কালে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। দাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় ৩৫ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলির ছুড়া হয় বলে প্রতক্ষদর্শীরা জানান।

আওয়ামী লীগ নেতা গৌছ মিয়া বরইকান্দি ৩নং রোড এলাকা ও কোম্পানিগঞ্জের ৩নং তেলিখাল ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আলফু মিয়া ১০নং রোডের কাজি বাড়ির বাসিন্দা।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৭ জন লোক গুলি বিদ্ধ হয়। আহতদের ওসমাসনী হাসপাতাল সহ স্থানীয় কয়েকটি ক্লিনিকে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত: সোমবার দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দি ৩নং রোডে সিএনজি অটোরিক্সার ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে মারামারির সূত্রপাত ঘটে। তখন গুলাগুলি ও দোকানপাঠ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে তখন ১০টি দোকানপাট ভাংচুর ও গুলাগুলির হয়। সে সময় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় ৩ জন আহত হয়।

মঙ্গলবার ভোররাতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে দুই প্লাটুন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে টহল দেয়ায় সে সময় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

সংঘর্ষস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহিদ, পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষক সহ স্থানীও আওয়ামী লীগের নেতারা।

এব্যাপারে দক্ষিণ সুরামা থানার ওসি খায়রুল ফজলের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে ৪ প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। আসামীদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ রিপোর্টার লেখা পর্যন্ত কোনো পক্ষ মামলা দেয়নি বলে জানান ওসি খায়রুল ফজল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ খবর

আমাদের ফেইসবুক পেইজ