‘দেশের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হতে পারতাম’

প্রকাশিত: ১:০৩ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২০

‘দেশের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হতে পারতাম’

স্পোর্টস ডেস্ক :; ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলেছেন ২৮ বছর হওয়ার আগেই। এরপর দলে আর সুযোগ পাননি । ৭ বছর অপেক্ষা শেষে বুকভরা কষ্ট নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে অবসরের ঘোষণা দেন এই ভারতীয় পেসার।

সেই কষ্টের ছাইচাপা আগুন এতোদিন দমিয়ে রাখলেও শেষমেষ তা উগড়িয়ে দিলেন ভারতীয় দলের সাবেক পেসার ইরফান পাঠান।

ক্যারিয়ারে ভালো কিছু রেকর্ড গড়তে টিম ইন্ডিয়া তাকে সহায়তা করেনি বলে অভিযোগ এনেছেন তিনি।

টিম ম্যানেজম্যান্ট সুযোগ কেড়ে না নিলে নামের পাশে সাফল্যগাঁথা আরও বেশি থাকত বলেও মন্তব্য করেছেন বাঁহাতি এই সুইং বোলার।

এমনকি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারতের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হতে পারতেন বলে জানান তিনি।

সম্প্রতি রেডিফ ডট কমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরফান বলেছেন, ‘আমার নামের পাশে হয়তো আরও অনেক সাফল্য লেখা হতো। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে ভারতের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হতে পারতাম আমি। কিন্তু তা আর হয়নি। কারণ আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী অতো ম্যাচ খেলতে পারিনি। মাত্র ২৭ বছরেই আমার ক্যারিয়ার থমকে গেছে।’

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দেখি ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসনের মতো বিশ্বের আরও অনেক বোলার ৩৫-৩৭ বছরেও খেলে যাচ্ছে। ৩৫ বছর পর্যন্ত ভারত দলে আমি খেলতে পারলে সব অন্যরকম হতো।’

এরপর নতুন বলে তাকে খেলতে দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ আনেন ইরফান। এতে ভালো পরিসংখ্যান দাঁড় করাতে পারেননি বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমি সবসময় দুঃখ পাই যে, লোকে আমার বিরুদ্ধে পরিসংখ্যান দাঁড় করায়। কিন্তু সংখ্যা সবসময় সঠিক তথ্য দেয় না। কারণ প্রথম ৫৯ ওয়ানডেতে আমি নতুন বলে বোলিং করেছি। কিন্তু পরের ম্যাচগুলোতে আমাকে প্রথম চেঞ্জে আনা হতো।

ইরফান যুক্তি দেন, আপনি যখন নতুন বলের বোলার, তখন আপনার অনেক কিছু করার সুযোগ থাকে। কিন্তু প্রথম চেঞ্জে আক্রমণে আসলে খানিক রক্ষণাত্মক বোলিং করতে হয়। তখন দায়িত্ব থাকে রান আটকানোর। এটা সংখ্যার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।

যে কারণে পরে উইকেটপ্রাপ্তির সংখ্যা তেমন বাড়েনি বলে জানান ইরফান।

২০০৬ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পর্যন্ত ভারতের হয়ে নতুন বলে বোলিং করেছেন ইরফান। তখন পর্যন্ত খেলা ৬৭ ম্যাচে নতুন বলে ২৪.৭৮ গড়ে ১১৩ উইকেট শিকার করেছিলেন ইরফান।

আর বাকি ৫১ ম্যাচে মাত্র ১৯টিতে তাকে নতুন বল দেন অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি। সবমিলিয়ে ১২০ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২৯.৭২ গড়ে ১৭৩ উইকেট শিকার করেছেন ইরফান।

তথ্যসূত্র: ইএসপিএন ক্রিক ইনফো

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ