নাসির আলী মামুন : আলো ও ছায়ার কীর্তিগাঁথা

প্রকাশিত: ২:১৩ পূর্বাহ্ণ, মে ৫, ২০২১

নাসির আলী মামুন : আলো ও ছায়ার কীর্তিগাঁথা

সাখাওয়াত টিপু

বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্র শিল্পী নাসির আলী মামুন। তিনি একজন জাত শিল্পী। কারণ তাঁর কোনো আনুষ্ঠানিক বিদ্যা নাই। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়া আলোকচিত্র শিল্পের কৃৎকৌশল রপ্ত করেছিলেন তিনি। মামুন একজন স্বশিক্ষিত ও স্বভাবজাত শিল্পী। তাঁর আছে সহজাত চোখ ও সহজ দৃষ্টিভঙ্গি। আছে বিষয়ের অবয়ব কিংবা মুখাবয়ব ধরার অপূর্ব হাত। আছে আলো আর ছায়া নিয়ে সৌন্দর্য সৃষ্টির বেহতর কৃৎকৌশল। কথাটা হয়তো সহজে বলা গেল। তবে মামুনের আলোকচিত্র চর্চার শুরুর দিনগুলো এত সহজ ছিল না। তাঁর আলোকচিত্র চর্চার শুরু ধার করা ক্যামেরা দিয়েই। কিন্তু অদম্য বাসনা সেই অভাব কাটিয়ে উঠতে সহায় হয়েছিল তাঁর। সেও এক কীর্তিমানের ৫০ বছরের আলোকচিত্রের কর্ম যাপনের ইতিহাস। তিনি নানান শ্রেণি-পেশার প্রায় সাত হাজার মানুষের মুখাবয়ব ফ্রেমবন্দি করেছেন। ব্যক্তি মানুষের কালখণ্ড হিসেব কষলে তাতে মামুনের ক্যামেরা পরিভ্রমণের এক টুকরো ইতিহাসের দেখা মেলবে। তর্ক বাংলার দ্বিতীয় কিস্তিতে আমরা তাঁর একক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি। বিভিন্ন সময়ে তোলা দেশ-বিদেশের কীর্তিমান মানুষের মুখের বাছাই আলোকচিত্রের এই প্রদর্শনীর শিরোনাম তার আলো তার ছায়া। আমরা পরখ করব কী আছে তাঁর আলোকচিত্রে?

নাসির আলী মামুন বিচিত্র ধরনের ছবি তুলেছেন। তবে দুই প্রকৃতির মানুষের ছবি তাঁকে কিংবদন্তির খ্যাতি এনে দিয়েছে। প্রথমত তিনি দেশ-বিদেশের অসংখ্য কীর্তিমান মনীষীর মুখ ফ্রেমবন্দি করেছেন। যাঁদের মুখাবয়বের সঙ্গে মামুনের দৃষ্টিভঙ্গি গেঁথে আছে। দ্বিতীয়ত তিনি উড়নচণ্ডী কিংবা চাড়ালনামীয় ‘ঘর নাই’ মানুষের মুখাবয়বের ছবি দৃশ্যপটে এনেছেন। সমাজের শ্রেণিগত এই বিপরীত অবস্থানের মানুষের ছবি মামুনের শিল্পকে আলাদা করে চিনিয়েছে। বলা যায়—বিদ্যমান আলোকচিত্র কাঠামোয় নবরূপে হাজির হয়েছেন তিনি। কারণ তাঁর আলোকচিত্র শিল্পের দুটো গুরুত্বপূর্ণ দিক—সমাজের মহিমান্বিত মানুষের মুখ আর শ্রেণিবিচ্যুত ক্লেদজ মানুষের মুখ। এই শ্রেণিগত উচ্চ আর শ্রেণিবিচ্যুত বিপরীতমুখি মানুষের মুখ বৈষম্য ভর্তি সমাজ কিংবা রাষ্ট্রে বহুদিন ধরে প্রশ্ন আকারে হাজির থাকবে। সমকালে আমরা স্বীকার করতে পারি কিংবা নাও করতে পারি—তবে এই প্রশ্নের মুখোমুখি আমাদের একদিন না একদিন হতে হবে। তো তর্ক বাংলায় প্রদর্শিত শিল্পের কয়েকটি দিক নিয়ে আমরা আলোকপাত করব।

মামুনের প্রদর্শনীর শিরোনাম তার আলো তার ছায়া। নামটা কাব্যিক এবং সুন্দর। তাতে ধারণ করে আছে দুই সহজ ভাবের অর্থ। আলো আর ছায়ার দুই কর্তাবাচক সর্বনাম ‘তার’। শব্দ এক হলেও ‘তার’ সর্বনামে দুই কর্তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে। প্রথমজন কর্তা [তার] নিজেই। নিজে যিনি আলো ফেলছেন অপর বিষয়ের ওপর। ছায়াকে ধরছেন ফ্রেমে। সেই অর্থে কর্তা নাসির আলী মামুন এক ‘তার’ ভাব ধরে আছেন। যদি প্রশ্ন তোলা হয়—প্রথম সর্বনাম ‘তার’ মানে তিনি কে? যিনি আলো ফেলছেন কিংবা বলতে পারেন নাসির আলী মামুন নিজেই। আর দ্বিতীয় সর্বনাম ‘তার’ ছায়াতে আলো ফেলছেন প্রথমজন। দ্বিতীয় ‘তার’ প্রথম সর্বনামের অপর। মানে দ্বিতীয় ‘তার’ প্রথম কর্তার বিষয়। যাকে তিনি ক্যামেরায় ধারণ করছেন। ভাষার মজা এখানেই—আলো গিয়ে ছায়ার উপর পড়ে। ছায়া আলো আকারে ধরা দেয়। সর্বনামের সঙ্গে শিল্পের আত্মপরিচয়ের রহস্য এখানেই নিহিত। আলো গিয়ে ছায়াতে মেশে। ছায়াকে ধরে। তা ছবি আকারে প্রকাশিত হয়। আর অপর কর্তার আলোক রূপ আকারে হাজির হয় অবয়ব বা বিষয়।

নাসির আলী মামুন [১৯৭৪] © ফটোজিয়াম

চিত্রকলায় আধুনিকতার বিকাশ যুগে একটা প্রশ্ন সামনে আসে, আলোকচিত্র আদৌ চিত্রকলার মতো শিল্প-মাধ্যম বলে বিবেচিত হবে কিনা? বস্তুত সে যুগে আলোকচিত্রকে ভাবা হতো অবয়ব কিংবা বস্তুর ছায়ার বাস্তব প্রতিবিম্ব! ক্যানভাসের শিল্পীর আঁকা চিত্র আর মেশিনের তোলা চিত্রের ফারাক করতে গিয়ে এসব প্রশ্ন সামনে এসেছিল। সেই যুগে হয়তো ভাবা সম্ভব হয়নি ডিজিটাল প্রিন্ট, ভিডিও আর্ট কিংবা ফটোগ্রাফির নানা মাধ্যমই শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ রূপার্থ বহন করবে একদিন। কিন্তু আমাদের যুগে সেই প্রশ্ন খানিক বাতুলতা মাত্র। নতুন যুগে নতুন মাধ্যমের শিল্পকর্ম সেই ভেদাভেদকে ঘুচিয়ে দিয়েছে অনেক দূর। আদতে এটা ছিল প্রকরণের পার্থক্যের সূত্র। সাধারণত দেখা যাবে—দুয়েরই মাধ্যম আর পদ্ধতি ভিন্ন। কিন্তু দুটোই ক্যানভাসে ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য গুণে সমাসীন। ফলে ঐতিহাসিক ভাবে শিল্প মাধ্যমে নতুন হলেও আলোকচিত্র সৌন্দর্য গুণ আর অর্থবোধক রূপকে একই মর্যাদা আসীন। প্রশ্ন হচ্ছে, মামুনের আলোকচিত্র শিল্পে কী রূপ ধারণ করে আছে?

নাসির আলী মামুন নানা রূপের, নানা বিষয়-আশয়, নানা ধরনের আলোকচিত্র নিয়ে কাজ করেছেন। বিষয়াবলির ভিন্নতা থাকলেও তিনি মূলত মানুষের মুখের ছবির জন্য অধিক আলোচিত। তাঁর ধারণকৃত এই মুখ নির্বাচিত মুখ। কখনো কিংবদন্তির মুখ, কখনো সম্ভাবনাময় মুখ, আবার কখনো ছিন্নমূল মানুষের মুখাবয়বের ছবি ফ্রেমবন্দি করেছেন। আনুমানিক সাত হাজার ব্যক্তি ও ব্যক্তিত্বের প্রায় ৭ লাখ ছবি তুলেছেন তিনি। দীর্ঘ ৫০ বছরের আলোকচিত্রের কর্মযজ্ঞে বাংলা প্রদেশে তিনি আলোকচিত্রের নিজস্ব এক শিল্পী পরিচয়ের স্বাক্ষর রেখেছেন। বলা হয়, তিনিই খোদ বাংলাদেশে পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি বা মুখাবয়ব ছবির জনক। গেল শতাব্দীর ৬০ দশকে আলোকচিত্রের হাতেখড়ি হলেও সত্তরের দশকেই মুখাবয়বের ছবি তোলা শুরু করেন তিনি। অবশ্য ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে মুখাবয়বের ছবির সূত্রপাত হয় ইংরেজ বিদুষী জুলিয়া মার্গারেট ক্যামেরনের [১৮১৫—১৮৭৯] হাতেই। জুলিয়া বিখ্যাত হন ঔপনিবেশিক ভারত আর আফ্রিকার মানুষের মুখাবয়বের ছবি তোলার কারণেই। তবে মামুন জুলিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেননি। তিনি নিজেই আলোকচিত্রের নিজস্ব এক ভাষা সৃষ্টি করেছেন। সেটা কেমন?

জানালার আলো অবয়বকে সংলগ্ন ছায়া দেয়। নরম প্রকৃতির এই আলো বস্তু বা অবয়বের লালিত্য শোভন করে। যাতে অবয়ব ক্যানভাসের মূল কেন্দ্র হয়ে ওঠে। তবে যান্ত্রিক আলো আবিষ্কারের আগে প্রাকৃতিক আলোই ব্যবহার হতো আলোকচিত্রে। কিন্তু মামুনের সময়কালে তা অপ্রতুল ছিল না। তিনি সেই পথে না গিয়ে প্রকৃতির সহায় নিয়েছেন। সেই অর্থে মামুন একজন প্রকৃতিবাদী শিল্পী বটেন।

স্টুডিও ফটোগ্রাফিতে সাধারণত তিন ধরনের আলোর প্রক্ষেপণ ব্যবহার করা হয়। ব্যক্তির ছায়া ধরতে প্রক্ষেপণের এই রূপ—মূল আলো, পূর্ণ আলো আর পেছনের আলো। সাধারণত এই আলো যান্ত্রিক উপায়ে সৃষ্টি করা হয়। ছবির সঙ্গে এই আলোর সম্পর্ক মূলত বিষয় থেকে আলোর দূরত্ব, বিষয়ের উপর আলোর পতন আর ছায়ার গভীরতা নির্মাণ। কিন্তু মামুন তাঁর ছবিতে যান্ত্রিক পদ্ধতির আলো ব্যবহার করেননি। আলোর প্রক্ষেপণে তাঁর আলোকচিত্রে প্রকৃতিগতই। পদ্ধতির ক্ষেত্রে তিনি সূর্যের আলোকে আমলে নিয়েছেন। কৃৎকৌশলের ক্ষেত্রে তিনি স্থানিক আলোর ব্যবহারই বেশি করেছেন। তবে গৃহাভ্যন্তরের ক্ষেত্রে কখনো জানালা কিংবা দরজার আলো ব্যবহার করেছেন। বস্তুত জানালার আলো অবয়বকে সংলগ্ন ছায়া দেয়। নরম প্রকৃতির এই আলো বস্তু বা অবয়বের লালিত্য শোভন করে। যাতে অবয়ব ক্যানভাসের মূল কেন্দ্র হয়ে ওঠে। তবে যান্ত্রিক আলো আবিষ্কারের আগে প্রাকৃতিক আলোই ব্যবহার হতো আলোকচিত্রে। কিন্তু মামুনের সময়কালে তা অপ্রতুল ছিল না। তিনি সেই পথে না গিয়ে প্রকৃতির সহায় নিয়েছেন। সেই অর্থে মামুন একজন প্রকৃতিবাদী শিল্পী বটেন। প্রশ্ন হচ্ছে, আলোর সঙ্গে ছায়া সম্পর্ক কী?

নাসির আলী মামুন [১৯৭৩] © ফটোজিয়াম

আলো বিষয় কিংবা অবয়বকে জীবন্ত করে তোলে। সেটা বস্তু কিংবা মানুষ যাই হোক না কেন! মানে যেখানে ছায়া নেই, সেখানে আলোর অনুপস্থিতি বিদ্যমান। মানে আলোই ছায়ার গতি নির্ধারক। আলো আর ছায়ার সম্বন্ধ পরস্পর ঋণাত্মক। প্রকৃতির এই ঋণ তরঙ্গ নির্ভর। কেননা আলোর গতির উপরই ভর করে সৃষ্ট হয় আলোকচিত্রের অন্তর্গত সৌন্দর্য। আলোকচিত্রের দৃশ্যমান স্থির অবয়ব কিংবা বিষয়কে ফ্রেমের মধ্যে আনা আদতে তরঙ্গেরই খেলা। এই তরঙ্গ বিষয়কে চিহ্নিত করে। দৃশ্যমান ক্যানভাসের বস্তু বা অবয়বকে আকার দেয়। কেননা জগতে সকল বস্তুই ছায়া নির্ভর। আলো তার প্রক্ষেপণের চিহ্নায়ক। আলোর যেখানে সমাপ্তি, সেখানেই ছায়ার মৃত্যু ঘটে। বিখ্যাত চিন্তাবিদ সুসান সনটাগ বলেছিলেন, ছায়াছবি হলো উপন্যাস আর আলোকচিত্র মৃত্যু।১ আলোকচিত্রে বস্তু বা অবয়বের মুহূর্ত ধরার পর তা আর পূর্বের অবস্থায় থাকে না। মানে চরিত্রের প্রকৃতির পূর্ব অবস্থারই অবসান ঘটে। মৃত্যুই ঘটে বলা চলে। বস্তুত আলোকচিত্র মুহূর্তকে ধারণ করে। নাসির আলী মামুন সেই ব্যক্তি বা বিষয়ের আলোছায়ার মুহূর্তকেই ফ্রেমবন্দি করেছেন। তাতে কী সৌন্দর্য আছে?

ক্যামেরার ফ্রেম মানে নির্ধারিত বস্তু বা বিষয়—এটি পুরানা তত্ত্ব। এবং সেটা সীমাবদ্ধ বটে। কিন্তু ক্যামেরার লক্ষ্যই থাকে সর্বদায় মূল কেন্দ্রে। এই কেন্দ্র বস্তু বা অবয়বের প্রকৃতি স্থাপন করে। কেন্দ্রে আলো থাকলে অবয়বের পরিপার্শ্ব তাতে অন্ধকার বা ম্রিয়মাণ আলো থাকে। কিংবা পরিপার্শ্বের অন্ধকার চরিত্রকে কেন্দ্রে হাজির করে। আলোর এই খেলা রূপক [Allegory] আকারে জায়মান। মামুনের আলোকচিত্রে এই রূপকের খেলা বিদ্যমান। স্থির ছবি শুধু ছবি আকারে থাকে না। থাকে অবয়বের গল্প। সীমাবদ্ধ ফ্রেমের বাইরের কাহিনি। বস্তুত মানুষের মুখ কিংবা অবয়ব তার চরিত্রের গুণাবলি প্রকাশ করে। একজন শিল্পীর কাজ তার প্রকৃতিকে ধরা। সেই অধরা রূপক ধরাই শিল্পের সৌন্দর্য। মামুন সেই রূপককে আমলে নিয়েছেন। স্থির মুহূর্ত ঠিক মুহূর্ত নয়, মুহূর্তকে অতিক্রম করার কৃৎকৌশল। আর তাতে শিল্প হয়ে ওঠে আলাদা চরিত্রের। শিল্পের আলঙ্কারিক এহেন গতিপথ প্রকৃতি সিদ্ধ। প্রকৃতির সঙ্গে রূপকের এই মিলনকে আমরা বলছি—শিল্পের স্থাপত্য। মামুনের শিল্পের স্থাপত্য সেই সূত্রে নিহিত।

নাসির আলী মামুনের আলোকচিত্রের বিবেচনার ক্ষেত্রে আমরা দুটো জিনিসকে গুরুত্ব দিয়েছি। প্রথমত ব্যক্তির দৃশ্যমান মুহূর্তের অন্তর্গত ঘটনা। মানে চরিত্রের প্রকৃতি তার অন্তর্গত রূপকে প্রকাশ করছে কিনা! সেই ক্ষেত্রে দেখা যায়—মামুনের আলোকচিত্র ব্যক্তির মুখাবয়বের ভেতর দিয়ে অর্থপূর্ণ আকার বা কাহিনির প্রকাশ ঘটাচ্ছে। এই প্রকাশ নিছক ব্যক্তির প্রদর্শন নয়, ইতিহাসের কীর্তিযজ্ঞের অমূল্য যোগসূত্র। দার্শনিক স্লাভোয় জিজেকের ভাষ্যে বললে—মামুনের আলোকচিত্র মূলত ‘ব্যক্তিত্বের সম্পদ’।২ দ্বিতীয়ত মামুনের আলোকচিত্র বাস্তব চিন্তার মুখোমুখি হচ্ছে কিনা! আমাদের বিবেচনায় তিনি মানব মুখের এমন অবয়ব হাজির করেছেন—যা চরিত্রের প্রকৃতি চিহ্নায়ন বলে দৃশ্যমান হয়। কেননা বাহ্যিক দৃশ্যের সঙ্গে আলো আর ছায়ার তরঙ্গে ব্যক্তি সেখানে স্থাপত্য হয়ে ওঠে। অধরা ব্যক্তি সেখানে কাহিনি আকারে প্রস্ফুটিত হয়। আশা এটুকুন—মামুনের সাদাকালো আলোকচিত্র শিল্পের দর্শক ও পাঠক তাতে একাত্ম অনুভব করবেন। দেখার মুহূর্ত আর শিল্পের মুহূর্ত এক যোজনায় মিললে শিল্প সার্থক হয়ে ওঠে। সেটাই শিল্পের আনন্দধাম।

 

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ