পুলিশি বাধায় পণ্ড বিএনপির সমাবেশ

প্রকাশিত: ১:৩৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১

পুলিশি বাধায় পণ্ড বিএনপির সমাবেশ

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বঘোষিত সমাবেশ পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এসমুয় পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় বিএনপি নেতাকর্মীদের পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছুঁড়তে দেখা যায়।

শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও অনেক আগে থেকেই নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন। সমাবেশকে ঘিরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এরমধ্যে প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা দলের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার জন্য বারবার অহ্বান জানাচ্ছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

পরে উত্তেজনা থেমে গেলে সমাবেশ শুরু করে বিএনপি। সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমানের বীরত্বের স্বীকৃতি বীর উত্তম খেতাব বাতিলের যে সিদ্ধান্ত সেটা আল জাজিরার ড্যামেজ কন্ট্রোলের ব্যর্থ চেষ্টা।

এ সময় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আঘাত আসলে প্রতিহত করতে হবে, পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, তবুও আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে, অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে বিরত থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের পক্ষে থাকার আহ্বান তিনি। লক্ষ্য অর্জনের পথে যেকোন বাধা প্রতিহত করতে লড়াই করতে হবে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তারা প্রধানমন্ত্রীর আশেপাশেই। তাদের পুরষ্কৃত করেছে সরকার। ক্ষমতার জন্য পিতার প্রতি সম্মান দেখায় নাই প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ভাষণ দিয়ে নয়, যুদ্ধ করেই বীর উত্তম খেতাব পেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। জিয়ার খেতাব নিয়ে ব্যবসা করে না বিএনপি, গর্ব করে।

প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, যুবদল মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ