প্রয়াত বীর মুক্তিযুদ্ধা সৈয়দ মহসীন আলী ছাত্রলীগ নিয়ে সৃতিচারণ করে কলামিস্ট ইশতিয়াক এর জ্বালময়ী স্ট্যাটাস

প্রকাশিত: ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০২১

প্রয়াত বীর মুক্তিযুদ্ধা সৈয়দ মহসীন আলী ছাত্রলীগ নিয়ে সৃতিচারণ করে কলামিস্ট ইশতিয়াক এর জ্বালময়ী স্ট্যাটাস

 

সিলেট এ স্পষ্ট ভাষায়, সত্য বলা কলিজা ওলা একজন মুজিব সৈনিক বীর নেতাকে আমি দেখেছি যার নাম বীর মুক্তিযুদ্ধা সৈয়দ মহসীন আলী যার দেখানো পথে আমি আমৃত্যু হাটব।
……………………………………………………………
ছাত্রলীগের খবর যখন কেউ নেয় না,
তখন বিগত সিলেট জেলা ছাত্রলীগ এর নব গঠিত কমিটির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এ সিলেট বিভাগের প্রথম কুনু মন্ত্রী জিনি সিলেট ছাত্রলীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সিলেট সার্কিট হাউজের মত জায়গায় সৌজন্য সাক্ষাৎ ও খোজ খবর নিয়ে সম্মানিত করেন।

জানি না সেই দিনের সেই কথা গুলো আজ সিলেট ছাত্রলীগের সিনিয়র ভাই ও সহযোদ্ধাদের মনে পড়ে কিনা,কিন্তু মন্ত্রী মহোদয় এর সেই কথাটা আজ আমার প্রতিটি লিখায়, প্রতিটি কথায় কানে বাজে।

মন্ত্রী মহোদয় ছাত্রলীগের উদ্যোস করে বলেছিলেন তুমরা এই ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার পেয়েছ।

তুমরা কারা ইন্টারনেট ইউজ কর?
সবাই হাত তুল্ল।
তুমরা কারা কারা ভালো সাইড এ ঢুকো বা পজিটিভ ব্যাবহার কর??
এবারো সবাই একি সাথে হাত তুল্ল।

এবার প্রশ্ন করলেন বল তুমরা কারা, কারা খারাপ সাইডে ঢুক? খারাপ জিনিস দেখ???

এবার আর কার হাত উঠে না, একে অন্যর দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগল মন্ত্রী মহোদয় কি প্রশ্ন করলেন???

এবার মন্ত্রী মহোদয় সবার উদ্যোস বলল্লেন আমি জানি তুমরা এখানে অনেকেই আছ, সেই খারাপ সাইডে ঢুক কিন্তু তা বলার সাহস কার নেই।

এবার সবাই চুপ মাথা নত
সবার উদ্যোস এবার বললেন এমন কাজ আর আজ থেকে কখনই কর না, যে প্রশ্নে তুমার মাথা নত করতে হয়, চুপ থাকতে হয়।

তুমি যেভাবে তুমার ভালো দিক তুলে ধর, সেভাবে একি ভাবে তুমার খারাপ দিক স্পষ্ট উচ্ছারণ শব্দে প্রকাশ কর।
মনে রেখ আমি বা অন্য কেউ কিছু না দেখলেও আল্লাহ সবি দেখেন , মৃত্যু যে কুনু মূহুর্তে সু নিশ্চিত কাজেই যাই কর এক সেকেন্ড পর তুমার নিশ্চিত মৃত্যু গ্রহণ করে কাজ কর।
আল্লাহ কে হিসাব দিয়ে কাজ কর, পিতা মুজিব যেভাবে বলেছিলেন বুকে, মুখে ঠিক রেখে কাজ করার কথা সেভাবে কাজ কর।

এফেক্ট, সাইডএফেক্ট চিন্তা কর না, সবাই তুমার বিপরীত থাক সত্যর জয় সু নিশ্চিত।
এটা হোক দুই দিন আগে আর পরে।
মনে রেখ সত্য বলতে কলিজা লাগে।
সত্য কে মৃত্যু ভয় পায়,সত্যর মৃত্যু নেই।

কথা গুলি বলার সময় আমি তার ভিতরে বুক চাপা কষ্ট অনুভব করি, স্পষ্ট দেখতে পাই।

আর সেই কষ্টটা আমাকে আজ কাদায়…….

যে বীর মুক্তিযুদ্ধা আমাদের এই দেশ, নিজ মাতৃভাষা উপহার দিতে পিতা মুজিব এর ডাকে নিজের জীবন বাজী রেখে বুলেট বিদ্দ শরীল, রক্ত দিয়ে দিয়ে আমাদের হাতে কলম নিজ ভাষা তুলে দিয়েছিলেন।

সেই কলম হাতে আঘাত করেছিল এই দেশের তথাকথিত সুশিল হলুদ সাংবাদিকরা।
তারা ভুলে গিয়েছিল তারা আজ যে ভাষা আর কলম এর বড়াই দেখায় সেই কলম তাদের হাতে বুলেট বুকে মাথায় পেতে নিয়ে এই সৈয়দ মহসীন আলী এনে দিয়েছিল।

আজ আমার লিখা দেখলে অনেক সিনিয়র ভাই, অনেক নেতা স্পষ্ট কথা বলায় আমাকে খারাপ চোখে দেখেন, সিলেট এর অনেক জাতি সংঘ সাংবাদিক আমাকে সহ্য করতে পারেন না।

কারন সৈয়দ মহসীন আলী কে অপমান করা তৎকালীন সিলেট এর জনপ্রিয় একটি অনলাইন পোর্টাল যে ক্রমাগত এই বীর মুক্তিযুদ্ধার প্রতি অশ্রদ্ধা জ্বাপন করে বিএনপি, জামাতের দালাল হয়ে কাজ করেছেন, দুঃখ হলেও সত্য সেই জাতি সংঘ সাংবাদিক কে আমাদের নেতারাই লালন, পালন করেন, দুধ কলা দিয়ে সাপ পুষেন।

তাই সেই দিন এই কলম দিয়ে সত্যর পক্ষে অবস্থান নেওয়া সিলেট নতুন অনলাইন পোর্টাল সিলেট প্রতিদিন (সাজলু লস্কর ভাই) সিল বিডি নাজমুল কবির পাভেল এর সত্য, নিরেপেক্ষ সংবাদ এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে।

সেই ক্ষমতাধর সাংবাদিক এর অস্থিত বিলীন করে দিয়েছিলাম এই কলম শক্তি দিয়ে।
যেটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন এবং বীর মুক্তিযুদ্ধার প্রতি ক্রমাগত অশ্রদ্ধার বিপরীত দাত ভাংগা জবাব ছিল।

আজ হাজার হাজার মোবাইল সাংবাদিক, অনেকেই লাইভে ডাকে কিন্তু জাইনা,অনেক তবে সিল বিডির জনপ্রিয় সিলেট এর দিনকাল লাইভে নাজমুল কবির পাভেল মামার আমন্ত্রণে একদিন লাইভে অনুষ্ঠান যোগ দিয়েছিলাম , সেই দিন তার লিখা বিষয় একটি প্রশ্নে সেই সাংবাদিকদের উদ্যোসে একটা জবাব দিয়ে এসেছিলাম যা ভিডিও এড করে দিয়েছি।

আমাকে অনেক পোর্টাল চাকরির অফার দিয়েছে কিন্তু তা গ্রহণ করিনি এই কারনে সাংবাদিক আমার বাবা পেশা।

আর সেই পেশায় নিজেকে যোগ্য মনে করিনা, বা আমার যোগ্যতা আছে বলে মনে করিনা।

কাজেই সব নেতা, ভাইদের উদ্যোস একটা অনুরোধ ভেংগের ছাতার মত মোবাইল টিভিতে সাক্ষাৎকার দেওয়ার আগে সাংবাদিক এর যোগ্যতা কি একটু যাচাই করবেন৷ আতারি বাতারি রে সাক্ষাৎকার দিয়ে দয়া করে নিজেকে বিপদে ফেলবেন না।

আর যে সিনিয়র ভাইরা আমায় খারাপ চোখে দেখেন, যারা বেয়াদব, পাগল বলেন মনের কষ্ট থেকে আজকের লিখাটি আপনাদের প্রতি দয়া করে আমায় ক্ষমা করবে ন।

আমার কলম, লিখায় প্রতিটি অক্ষরে যে মানুষটি
তার নাম বীর মুক্তিযুদ্ধা সৈয়দ মহসীন আলী।

কাজেই আমার আমৃত্যু আমি তার পথেই হাটব এতে কেউ যদি আমার লিখা, কথা পছন্দ না হয় আমাকে ব্লক বা আনফ্রেন্ড করবেন।
দয়া করে আমার টাইমলাইনে আনফলো ফ্রেন্ড হয়ে ঝুলে থাকবেন না।

ইশতিয়াক চৌধুরী
সাবেক সহ সম্পাদক
সিলেট জেলা ছাত্রলীগ।

 

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
     12
24252627282930
31      
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ