প্রয়োজনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ডিজিটালাইজ করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৭:৫৩ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০২০

প্রয়োজনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ডিজিটালাইজ করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক :; সরকারি গুদামের মজুদ বাড়াতে ধান চাল ক্রয়ের গতি বাড়াতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

একই সঙ্গে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অবৈধ কার্ড বাতিলে শক্ত পদক্ষেপ নিতে বলেন তিনি। দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে প্রয়োজনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ডিজিটালাইজড করা হবে বলেও জানান তিনি।

বুধবার মন্ত্রীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের খাদ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।

সভার সমন্বয় করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম।

মন্ত্রী বলেন, কৃষক বোরোতে এবার বাম্পার ফলন ও ন্যায্য দাম পাচ্ছে। ধান-চাল ক্রয়ে সরকারি সংগ্রহের গতি বাড়াতে হবে। এ ছাড়া বিনির্দেশ মোতাবেক খাদ্যশস্যের মান যাচাই করে সংগ্রহ করতে হবে। ধান-চাল কেনায় কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ারও হুশিয়ারি দেন তিনি।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের তালিকা নিয়ে কিছু অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে চিঠি দেয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল অতিদ্রæত যাচাই-বাছাই করে যে কোনো প্রকার হুমকি-ধমকিকে ভয় না করে; স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে প্রকৃত গরিব ও দুস্থদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে তালিকা প্রস্তুত করতে। প্রয়োজনে প্রতিটি উপজেলায় অতীতে তালিকা তৈরি করার সময়ে যে ট্যাগ অফিসার ছিলেন তাদেরকে সরিয়ে নতুন করে কোনো ট্যাগ অফিসারকে দায়িত্ব দিয়ে হালনাগাদ করে নতুন তালিকা প্রণয়ন করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে প্রয়োজনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ড ডিজিটালাইজড করা হবে।

ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন প্রতিটি জেলার করোনা মোকাবেলা পরিস্থিতি চলতি বোরো ধান কাটা-মাড়াই, সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রী।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মার্চ, এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর- এই পাঁচ মাস খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১০ টাকা দরে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মে মাসেও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল দেয়া হয়েছে।

এবারের প্রকিউরমেন্টে চালের মান নিয়ে কোনো আপোষ নয়- জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, লটারি করার পর নির্বাচিত কৃষকের তালিকা যেন ইউনিয়ন পরিষদ অফিসের তথ্যকেন্দ্রে এবং উপজেলা খাদ্য অফিসে দৃশ্যমানভাবে টানানো হয়। নির্বাচিত কৃষক ধান দিতে না পারলে সঙ্গে সঙ্গে তালিকায় অপেক্ষমাণ কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি কোনো কৃষক যেন তার সিøপ মধ্যস্বত্বভোগী দালালের কাছে বিক্রি না করেন এ জন্য মন্ত্রী সাবধান করে দেন।

সভায় উপস্থিত জেলা প্রশাসক এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টার্গেটকৃত ধান-চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

ভিডিও কনফারেন্সে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ