বাংলাবাজার ইউপির পুরাতন ভবন এখন শৌচাগার

প্রকাশিত: ৮:১১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

বাংলাবাজার ইউপির পুরাতন ভবন এখন শৌচাগার

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: দোয়ারাবাজার উপজেলার ১নং বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনে কার্যক্রম বন্ধ ও সংস্কার না হওয়ায় দিনে দিনে শৌচাগারে রুপ নিয়েছে।বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা প্রশ্রাব পায়খানার নিরাপদ স্থান হিসাবে বেচে নিয়েছে এই ভবন।সময়ের সাথে সাথে সংস্কারের অভাবে বেহাল দশা ভবনের দরজা-জানালা।

ভবনটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় সাধারন মানুষ নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এমনকি দেখভালের কেহ না থাকায় ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়েছে ভবনটি। সরেজমিন ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, নতুন পরিষদ ভবন চালু করার পর থেকে কার্যত পুরাতন এ ভবনটি অচল হয়ে পড়েছে। মাঝপথে এ ভবনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পাঠাগারের নামে সাইনবোর্ড তোলা হলেও দেখা যায়নি তাদের কার্যক্রম। বর্তমানে পরিত্যাক্ত্ অবস্থায় পড়ে আছে সরকারী এ সম্পদ। নেই কোন সাইনবোর্ড বা সরকারী সম্পত্তির সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি।

যার কারণে সরকারি এ জমি দখল হওয়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসি। জনগুরুত্বপুর্ন ও বাংলাবাজারের ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী পুরাতন পরিষদ ভবনটি সংস্কার জরুরী বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বর্তমানে ভবনটির হলরুম ও ফ্লোরের বেশিরভাগ জায়গা প্রশ্রাব,পায়খানা, ময়লা আবর্জনা কাঁদা পঁচা পানিতে নিমজ্জিত। ভবনের চারপাশে দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। ভাঙ্গা দরজা-জানালা ও বাথরুমগুলো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে ময়লা আর্বজনা। ভবনের ভিতরে রয়েছে পায়খানা ময়লা আবর্জনার স্তূপ। সংস্কারের অভাবে ইউপি ভবনের জানালা ও লোহার গ্রিলগুলো মরিচা ধরে খয়ে যাচ্ছে। এমনকি ভিতরে বাইরে পলেস্তার খসে পড়ছে। ভবনের অনেক দেয়ালে ধরেছে ফাটল।

এছাড়া ভবনের চারিপাশে বাজারের ময়লা আর্বজনা ফেলে ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। একতলা বিশিষ্ট এ ভবনের ভিতরে বাহিরে রয়েছে ময়লা আবর্জনার স্তূপ। একই অবস্থা বিরাজ করছে ভবনের হলরুম, চেয়ারম্যান, সচিবের কক্ষ। এক সময় বিদ্যুৎ লাইন থাকলেও তা এখন অচল।

এতো খারাপ অবস্থার মধ্যেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই মাথাব্যথা। পুরাতন ইউপি ভবনের সীমানা প্রাচীর থেকে শুরু করে পানির টিউবওয়েল, বাথরুম সবকিছুই দিন দিন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হচ্ছে। ভবনের ভিতরে প্রশ্রাব পায়খানা ভবনের সামনে ময়লা আবর্জনা প্রশ্রাব পায়খানা থাকার কারণে ভিতরে প্রবেশ করা ও দায়। স্থানীয়রা সরকারী সম্পদের বেহাল দশার পিছনে ইউপি চেয়ারম্যানকে দুষছেন। তারা বলেন, পরিকল্পিতভাবে সমন্বয় করে উদ্দোগ নেয়া হলে অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন এ ভবনটি সংস্কার করে জনকল্যানমুলক কাজে ব্যবহার করা যাবে।

এ বিষয়ে বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান জসিম মাষ্টার জানান, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভবনের এমন দশা। নতুন ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করায় মুলত পুরাতন ভবন ব্যবহার হচ্ছেনা। তারপরও সমস্যার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ