বিশ্বনাথে স্কুল ছাত্র সুমেল ও কৃষক দয়াল খুনের আসামি জলিল পুলিশের খাঁচায়

প্রকাশিত: ৪:৩০ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০২১

বিশ্বনাথে স্কুল ছাত্র সুমেল ও কৃষক দয়াল খুনের আসামি জলিল পুলিশের খাঁচায়

বিশ্বনাথ (সিলেট) উপজেলা সংবাদদাতা

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাউলধনী হাওরের ভুয়া লীজ গ্রহীতা সাইফুল আলমের গুলিতে নিহত স্কুল ছাত্র সুমেল ও কৃষক দয়াল হত্যা মামালা আসামি চাউলধনী হাওর নিয়ে অপকর্মের মূলহোতা আব্দুল জলিলকে (৫০) কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে গোলাপগঞ্জের বখতিয়ারঘাট এলাকার পাহাড় লাইন গ্রামের জনৈক আছদ্দর আলীর বাড়ী থেকে এক সাড়াসী অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে চাউলধনী হাওরের লীজ গ্রহীতা দশঘর মৎসজীবি সমবায় সমিতির কথিত সভাপতি ও গাগুটিয়া গ্রাামের আব্দুল জব্বারের পুত্র। নবাগত ওসি গাজী আতাউর রহমান রাজুর নেতৃত্বে ওসি (তদন্ত) রমা কান্ত প্রসাদ ও এসআই মোয়াজ্জেম এবং এসআই অরূপ সাগর অভিযানের জলিলকে গ্রেফতার করা হয়। সে কৃষক দয়াল ও স্কুল ছাত্র সুমেল হত্যা মামলার আসামী। মৎসজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি দাবী করে বিভিন্ন অপকর্ম করলেও সিলেট সমবায় অফিসের তালিকায় সভাপতি হিসেবে তার নাম নেই। এমন তথ্য প্রমাণও হাতে রয়েছে। সমবায় অফিসে জাল কাগজপত্র ও ভূয়া সদস্যের নাম লিখিয়ে কথিত মৎসজীবি সমিতি গঠন করে চাউলধনী হাওর লীজ গ্রহণ করে। এতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কতিপয় কর্মকর্তা সমিতি গঠনে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব সমিতি গঠনে এবং চাউলধনী হাওর লীজ নিতে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে সাইফুল। এই সাইফুলের দাপটে এলাকায় নিজ গোত্রের লোকজনকে মানুষ বলেও গণ্য করতো না। সাইফুলের যেমন দাপট ছিল, তারচেয়ে বেশি দাপট দেখাতো জলিল। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য আবুল কালাম ও ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন।

আব্দুল জলিলকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী আতাউর রহমান রাজু  বলেন, চাউলধনী হাওর নিয়ে যারা অপকর্ম করেছে তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়তেই হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ