বৃহস্পতিবার থেকে সিলেটে ট্যাঙ্কলরী শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

প্রকাশিত: ৯:০৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১, ২০২০

বৃহস্পতিবার থেকে সিলেটে ট্যাঙ্কলরী শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

অনলাইন ডেস্ক: শ্রমিকদের উপর হামলা ও সাজানো মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে ২ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে সিলেট বিভাগের সর্বস্তরের ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এই উপলক্ষে সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়ন-২১৭৪ এর এক প্রতিবাদ সভা গত ৩০ জুন মঙ্গলবার বিকালে দক্ষিণ সুরমার বঙ্গবীর রোডের পিরোজপুরস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে ট্যাঙ্কলরী শ্রমিকদের উপর দক্ষিণ সুরমা ও সিলেট রেলওয়ে থানায় দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করা না হলে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করবে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মনির হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রিপনের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, রেলওয়ে সিলেটের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (কার্য) আকবর হোসেন মজুমদারকে রেলওয়ে কলোনী মসজিদ সংলগ্ন পরিত্যক্ত ভূমিতে ট্যাঙ্কলরি রাখা বাবদ প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে আসছি। বিগত কয়েক দিন যাবৎ ৩০ হাজার টাকা স্থলে ৫০ হাজার টাকা ধার্য করে চাপ দিচ্ছেন আকবর হোসেন মজুমদার। শ্রমিকগণ এত টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে প্রকৌশলী আকবর হোসেন মজুমদার গত ২৯ জুন সোমবার বেলা ১১টায় লরি রাখাকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এতে শ্রমিকরা আহত হন।

বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের মেরে আহত করেও ক্ষান্ত হয়নি প্রকৌশলী। উল্টো শ্রমিকদের উপরে দক্ষিণ সুরমা ও সিলেট রেলওয়ে থানা মামলা দায়ের করেছেন। বক্তারা অনতিবিলম্বে সাজানো মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবী জানান। অন্যথায় সর্বস্তরের শ্রমিকদের নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা ইউনুস মিয়া, নবির হোসেন, মখতজিল হোসেন, কাপ্তান মিয়া, সাহেদ মিয়া, সহ-সভাপতি কাউছার আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ, অর্থ সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোঃ গোলাপ খান, লাইন সম্পাদক কবির খান, কার্যকারী সদস্য বশির মিয়া, আব্দুল জলিল। শ্রমিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিকনেতা লুৎফুর, রাজিব, হান্নান, প্রদীপ, সুহেল, লিটন, চেরাগ আলী, লোকমান, শাহীন, মাহিন, কবির, জমির, আলাল, হান্নান, বিধান, শংকর, আউয়াল, কাদির, মুজিব, মতছির, উছমান, আলমাছ, আব্দুর হাই, রনি প্রমুখ।

সভায় বক্তারা আরো বলেন, প্রকৌশলীর পরিকল্পিত হামলায় শ্রমিকরা আহত হওয়ার পর দক্ষিণ সুরমা থানা ও সিলেট রেলওয়ে থানায় মামলা দিতে গেলে উভয় থানা শ্রমিকদের মামলা নেয়নি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ