‘ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা দুই দেশের করোনা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে’

প্রকাশিত: ১২:৩৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২০

‘ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা দুই দেশের করোনা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে’

অনলাইন ডেস্ক

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির ওপর ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর বিষয়টি নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার বিক্রম কে দোরাইস্বামী।

তিনি বলেন, ট্যুরিস্ট ভিসার অনেক চাহিদা রয়েছে। মানুষ ভারতে যেতে চাচ্ছে, কিন্তু ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর বিষয়টি দু-দেশের করোনা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ার বাবল চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ফ্লাইটের উদ্বোধনকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিক্রম কে দোরাইস্বামী বলেন, বর্তমানে প্রতিদিন হাজার খানেক ভিসার আবেদন পড়ছে। এ সংখ্যা আরও বাড়ছে প্রতিদিন। সব স্টাফদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, এয়ার বাবল ফ্লাইটের মাধ্যমে প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাত হাজার মানুষ ভারতে যাতায়াত করতে পারেন। পর্যটক ছাড়া সব ভিসা খোলা রয়েছে। বাংলাদেশিরা চিকিৎসাসেবা গ্রহণসহ নানা কাজে ভারত ভ্রমণ করতে পারেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ উল আহসান ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।

এয়ার বাবল চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সপ্তাহে ৫৬টি ফ্লাইট চলবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তিনটি এয়ারলাইন্স ভারতে সপ্তাহে ২৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। আর ভারত থেকে পাঁচটি এয়ারলাইন্স সপ্তাহে ২৮টি ফ্লাইট বাংলাদেশে পরিচালনা করবে। সপ্তাহে পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ভারত যাওয়ার সুযোগ পাবেন। একই ভাবে সমান সংখ্যক যাত্রী ভারত থেকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ পাবে।

বাংলাদেশ থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও নভোএয়ার ভারতে যাতায়াত করবে। আর ভারত থেকে এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো, স্পাইসজেট, ভিস্তারা ও গোএয়ার যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশে আসবে।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ