ভারতের সর্বদলীয় বৈঠকে কে কী বললেন?

প্রকাশিত: ১১:০৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২০

ভারতের সর্বদলীয় বৈঠকে কে কী বললেন?

সিল-নিউজ-বিডি ডেস্ক :: চীনের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা সর্বদলীয় বৈঠক শেষ হয়েছে। শুক্রবার বিকালে শুরু হওয়া ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকের শুরুতেই মোদি সরকারকে একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

চীন যে এত বড় সৈন্য সমাবেশ করছে, সরকার কি সে খবর পায়নি? উপগ্রহ চিত্রে কি নজর রাখা হয়নি? প্রশ্ন করেন তিনি। পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত বিরোধীদের অবহিত করার অনুরোধও প্রধানমন্ত্রীকে সোনিয়া জানান। তবে চীনকে যোগ্য জবাব দেওয়ার প্রশ্নে সরকারকে পূর্ণ সমর্থন জোগানোর বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একনায়কতান্ত্রিক চীনের বিরুদ্ধে লড়তে গেলে আমাদের সবাইকে এক হতে হবে, মন্তব্য তাঁর। বামেরা অবশ্য আমেরিকার জোটে যোগ না দেওয়ার এবং পঞ্চশীল নীতি না ভোলার পরামর্শ দিয়েছেন।

২০টি দলকে নিয়ে এ দিন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। শুরুতেই লাদাখের পরিস্থিতি তথা গলওয়ানের ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয় গান্ধী একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করান প্রধানমন্ত্রী মোদীকে। ‘‘কবে চীনা বাহিনী লাদাখে আমাদের এলাকায় অনুপ্রবেশ করেছিল, ৫ মে, নাকি তার আগে? সরকার কি সীমান্ত এলাকার উপগ্রহ চিত্রের উপর নিয়মিত নজর রাখেনি? এলএসি বরাবর কোনও অস্বাভাবিক কার্যকলাপের খবর কি আমাদের গোয়েন্দারা দেননি? ভারতীয় এলাকায় হোক বা চীনের দিকে, এলএসিতে বড় সৈন্য সমাবেশ যে চীন করেছে, তা কি আমাদের সামরিক গোয়েন্দারা সতর্ক করেননি? সরকার কী মনে করছে, গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল?’’— শুক্রবারের বৈঠকে মূলত এই প্রশ্নগুলোই তোলেন সোনিয় গান্ধী। উত্তর সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার জন্য ‘মাউন্টেন স্ট্রাইক কোর’ নামে যে বাহিনী গড়ার কাজ শুরু হয়েছিল, সেই বাহিনী এখন কী অবস্থায়? তা-ও কংগ্রেস সভানেত্রী জানতে চান। লাদাখের পরিস্থিতি সম্পর্কে এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে বিরোধীদের অবহিত করা হোক— এমন দাবিও করেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল চেয়ারপারসন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘চীনে গণতন্ত্র নেই, সেখানে একনায়কতন্ত্র চলে। তারা যা খুশি করতে পারে। কিন্তু আমাদেরকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘এক হয়ে কথা বলুন, এক হয়ে ভাবুন, এক হয়ে কাজ করুন। আমরা দৃঢ়ভাবে সরকারের পাশে রয়েছি।’

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ