মহামান্য হাইকোর্টের কাছে আবারোও নি:শর্ত ক্ষমা চাইলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত: ৭:১৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১

মহামান্য হাইকোর্টের কাছে আবারোও নি:শর্ত ক্ষমা চাইলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক

ডেস্ক
লোভাছড়া পাথর কোয়ারির মো. নিজাম উদ্দিনের কনডেম মামলায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের মাননীয় বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার জারিকৃত রুলের জবাবে বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে গতকাল রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি নি:শর্ত ক্ষমা চেয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম। প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি এই মর্মে অঙ্গীকার করেন। ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালনে তিনি আরো উদ্যোগী এবং সচেতন হবেন। পাশাপাশি জ্ঞাতসারে এ ধরণের অমার্জনীয় ভুল তার দ্বারা সংঘটিত হবে না। উল্লেখ্য, লোভাছড়া পাথর কোয়ারি ২০২০ সালের ১২ আগস্ট পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ইমরান আহমদ স্বাক্ষরিত টেন্ডারে মো. নিজাম উদ্দিনকে সর্বোচ্চ দরদাতা বিবেচিত হন। নিজাম উদ্দিন এই মর্মে অবশিষ্ট টাকা জমা দেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর আবেদন নিবেদন করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে মহামান্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মহামান্য হাইকোর্ট তার দাখিলকৃত রিট পিটিশন ৬৪/৭৬/২০২০ কে আমলে নিয়ে এক মাসের মধ্যে চলমান দরপত্র অনুসারে নিষ্পত্তি করার জন্য জেলা প্রশাসককে আদেশ প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক উক্ত আদেশ প্রতিপালন না করায় নিজাম উদ্দিন পুনরায় কনডেম কোর্ট রিটপিটিশন একই বেঞ্চে দাখিল করলে মাননীয় আদালত বিষয়টি আমলেন নেন। সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামকে এর প্রেক্ষিতে ৩১/০১/২০২১ তারিখে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার আদেশ দেন। জেলা প্রশাসক মাননীয় আদালতের কাছে ক্ষমা চাইলে মামনীয় আদালত পুনরায় ২৮/০২/২০২১ তারিখে জেলা প্রশাসককে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশনা অনুয়াযী গতকাল রবিবার সশরীরে উপস্থিত হয়ে তিনি নি:শর্ত ক্ষমা চান। পরবর্তীতে লোভাছড়া পাথর কোয়ারির বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তরের এখতিয়ারভুক্ত হওয়ায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে তিনি চিঠি প্রদান করেন।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ