মাকে খুন করে অপহরণ নাটক

প্রকাশিত: ৬:৪২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১

মাকে খুন করে অপহরণ নাটক

অনলাইন ডেস্ক:
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় সম্পত্তির লোভে মাকে খুন করে বস্তাবন্দি মরদেহ পুকুরে ফেলে থানায় মা অপহরণ হয়েছে বলে জিডি করে ছেলে। ঘটনার ৩৪ দিন পর মরদেহ উদ্ধার করেছে কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এঘটনায় ঘাতক ছেলে মুন্না বাবুসহ (৩২) তার বন্ধু রাব্বি ও চাচা আব্দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত।

প্রেস বিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিম সুপার (ডিএসবি) ফরহাদ হোসেন, গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আমিনুল ইসলাম, পরিদর্শক আশরাফুল ইসলামসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস বিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, মমতাজ বেগমের এক ছেলে ও ৩ মেয়ে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একমাত্র ছেলে মুন্নার সঙ্গে বাস করতেন। মা যাতে মেয়েদের সম্পতির ভাগ দিতে না পারে সেজন্য বন্ধু রাব্বি ও চাচা আব্দুল কাদেরকে নিয়ে মাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২০ জানুয়ারি মমতাজকে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেন মুন্না। পরে ২১ জানুয়ারি ছেলে মুন্না মিরপুর থানায় তার মাকে কে বা কারা অপরণ করেছে এই মর্মে জিডি করেন। কেবল তাই নয় এরপর মুন্না তার বন্ধু রাব্বিকে অপহরণকারী সাজিয়ে তার (মুন্না) দুলাভাইয়ের কাছে ফোন করিয়ে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

জিডি ও ফোন কলের সূত্র ধরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে তদন্তে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ঘটনার ৩৪ দিন পর মঙ্গলবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় ছেলে মুন্নাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আমাদের ফেইসবুক পেইজ