মাধবপুরে সরকারি ঔষধ খালে, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

প্রকাশিত: ২:১৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০

মাধবপুরে সরকারি ঔষধ খালে, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক :: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার দক্ষিণ বেজুড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি সুমন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সরকারি ঔষধ থাকার পরও তিনি বিতরণ না করে নষ্ট করে আসছেন দিনের পর দিন। এ ব্যাপারে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। যদিও মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইশতিয়াক আল মামুনের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েও কোন ফল পাননি এলাকাবাসী এলাকাবাসীর অভিযোগ- দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে দক্ষিণ বেজুড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে সিএইচসিপি পদে চাকরি করে আসছেন এই গ্রামের সুবোধ চন্দ্র দাসের ছেলে সুমন চন্দ্র দাস।

নিজ এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় আলাদা দাপট দেখান তিনি।কাউকে পাত্তাও দেন না তিনি।নিজের খেয়াল খুশি মতো কাজ করেন। গ্রামের হতদরিদ্র ও নিরিহ মানুষরা ঔষধের জন্য গেলে ক্লিনিকে ঔষধ নাই বলে বিদায় করে দেন। অথচ দিনের পর দিন ঔষধ প্রাপ্তি থেকে গ্রামবাসী বঞ্চিত হলেও সেই ঔষধ মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ হওয়ার পর নদীতে ফেলে দিচ্ছেন সুমন দাস। এ ব্যাপারে গ্রামবাসী প্রতিবাদ করলে তাদেরকে দেয়া হয় বিভিন্ন হুমকি-ধামকি। রোববার বিভিন্ন ধরণের মেয়াদ উত্তীর্ণ সরকারি ঔষধ খালে ফেলে দেন সুমন। এ সময় গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইশতিয়াক আল মামুনকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত করেন গ্রামসবাসী। কিন্তু বিষয়টিতে কোন পাত্তাই দেন নাই তিনি। এদিকে, অভিযোগ রয়েছে দিনের পর দিন সুমন দাস কমিউনিটি ক্লিনিকে উপস্থিত না হয়ে নিজের ব্যক্তিগত ফার্মেসীতে সময় দেন। এমনকি সরকারি অনেক ঔষধ তিনি নিজের ফার্মেসীতে রেখে বিক্রি করে আসছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সিএইচসিপি সুমন চন্দ্র দাস বলেন- ‘অনেক ঔষধের এক মাসের বেশি মেয়াদ থাকে না। সেগুলো প্রায় সময় মেয়াদ উর্ত্তীণ হয়ে যাওয়ার ফেলে দিতে হয়।’ বাকি অভিযোগগুলো অস্বীকার করে জানান- গ্রামের কিছু মানুষের সাথে তার ব্যক্তিগত বিরোধ রয়েছে। তারা মুলত তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে। তবে জানতে চাইলে নিজের কর্মীর সাফাই গাইলেন মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইশতিয়াক আল মামুন। সুমন দাসের সাথেই সুর মেলালেন তিনিও।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ