মাননীয় নেত্রীবৃন্দ পীযূষ দা ও আমাদের গুলি করে মেরে ফেলেদিন

প্রকাশিত: ৬:২০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

মাননীয় নেত্রীবৃন্দ পীযূষ দা ও আমাদের গুলি করে মেরে ফেলেদিন

ইশতিয়াক চৌধুরী :: মুক্তি চাই, এই চাই ঐ চাই এসব আজ আর লিখতে ভালো লাগেনা,ত্যাগী, নির্যাতীত এই শব্দটা বর্তমানে সময়ের সেরা জোক আমার কাছে।

প্রথমেই আমি সমাজের সাংবাদিক আর সুশিল নামক মহাজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্বাপন করছি যারা পিযূষ দা কে নিয়ে অনড়গল যারা সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজ,দখলবাজ, চাদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বানিয়ে লিখে যাচ্ছেন,আমি মূর্খ মানুষ স্যালুট জানাই আপনাদের শিক্ষা, বিবেক,বুদ্ধি,মানবতা নামক শব্দটার প্রতি।
হ্যা মহাজনবৃন্দ,

**পীযূষ দা সন্ত্রাসী কারন কাউকে বিপদে দেখলে বাসায় চুপ করে বসে থাকতে পারেন না তিনি প্রতিবাদ করেন।

**হ্যা তিনি অস্ত্রবাজ কারন যখন
৫ জানুয়ারি আগমূর্তের সময়ে শিবির আক্রমনে আমাদের শরীলের রক্ত ঝড়ছিল, তখন তিনি বাসায় চুড়ি পড়ে বসে থাকতে পারেন নি।
প্রায় সব নেতার তখন পীযুষ কে দরকার ছিল।
যার কারনে তখনকার শিবির কতৃক প্রকাশিত হিট লিস্ট এ সব থেকে উপরের দিকে তার নাম ছিল। তাতে কি এক পীযুষ মরলে তাদের কি?

জগৎ দা মারা গেলেন কই কিছু হয়েছে? তারা তাদের জামাতের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও ব্যবসায়ীক সম্পর্ক ২ টাই ঠিক রেখেছেন।

**হ্যা তিনি দখলবাজ খুজে দেখুন আপনাদের কারোই তার কাছে গিয়ে বলেছিলেন আপনাদের বাড়ি দখল হয়ে যাচ্ছে প্রশাসন বা কুনু নেতা আপনাদেরকে সাহায্য করছেন না।
তখন সেই জায়গা উদ্ধারের উদ্দেশ্য পীযুষ দাকে নিয়ে যেন কারা যায় একটু কি খেয়াল করে দেখছেন কি?

*হ্যা তিনি চাদাবাজ মাদকব্যবসায়ী, চিন্তাইকারী,কারন উপরের উপকারগুলো এবং গত কয়েকদিন আগে পানসীর সামনে এক মাদকাসক্ত প্রবাসী বেপরোয়া গাড়ী আপনাদের উপর তুলে দেওয়ায় তার কর্মীদের প্রতিবাদ করাছিল।এটা তার অপরাধ ছিল।

তিনি ৫০, ৬০ জন কর্মী নিয়ে তার দলীয় অফিসে বসে সন্ধ্যার আড্ডা দেওয়া অবস্থায় তখন র‍্যাব তাকে ৫ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা অস্ত্র দিয়ে তাকেব ফাসিয়ে দেয়।
৫০, ৬০ জন কর্মী কে সামনে রেখে একজন নেতা ৫,৪০০ পিছ ইয়াবা বিক্রি করছিল হ্যা আপনাদের অসাধারণ যুক্তির সাথে আজ আমি একমত।

একি কায়দায় আমাকে ফাসানো হয়েছিল এখনো চেলেঞ্জ দিয়ে বলছি এই মামলার আগে ও এখন পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে কুনু মামলা বা জিডি পর্যন্ত দেখাতে পারবেন না।
মহান আল্লাহপাক কে সাক্ষী রেখে এবং আমার জীবিত মা বাবার শরীল স্পর্শ করে বলছি সম্পুর্ন বিনা অপরাধে ২ মাস ৬ ছয়দিন মিথ্যা জঘন্য পাপের বুঝা নিয়ে জেলে থাকতে হয়েছিল যা ছিল মৃত্যু যন্ত্রনা থেকে অধিক ।

মাননীয় নেত্রীবৃন্দ
বিগত ৫ জানুয়ারি আগমূহুর্ত সময়ে যে কয়জন সাবেক ছাত্রনেতাদের দেখে নিজের ভিতর সাহস বা প্রতিবাদ শব্দটির জন্ম হয়েছিল তার মধ্য পীযূষ দা অন্যতম।
তাই তার প্রতি অধিকার নিয়ে বলছি,এবং তার মত একি বর্তমান অবস্থায় আমাদের অনেক নেতা রয়েছেন, যারা ভিন্ন মামলায় ফাসলেও সবার অবস্থা একি।

বলুন কোথায় আসতে হবে? আমরা সবাই একসাথে চলে আসব গুলি করে আমাদের মেরে ফেলুন। কারন আমরাত আজ আত্নহত্যাটাও করতে পারছিনা। পরিবার টা ছোট হবে বলে।

এই নির্যাতন টা আমাদের উপর নয় আমাদের পরিবারের প্রতি হচ্ছে দিন শেষে তাদের আমরা আজ কি উত্তর দিব?কেন আমাদের কারনে তাদের সমাজের কাছে ছোট এবং আর্থিক,মানুষিক যন্তনায় ভুগতে হবে??

তাই বলছি আপনাদের সাথে বা হস্তক্ষেপে প্রধানমন্ত্রীর সফর সংগী হতে চাইনা,চাইনা পদ পদবী।
শুধু চাই আমারা যদি আপনাদের এতবড়ই ক্ষতি করে থাকি,এত বড়ই অপরাধ করে থাকি আমাদের সরাসরি গুলি করে মেরে ফেলেদিন তবু আমাদের পরিবারটাকে বাচতে দিন।

লেখক :: ইশতিয়াক চৌধুরী (সাবেক সহ সম্পাদক, সিলেট জেলা ছাত্রলীগ)

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ