মানবতার ফেরিওয়ালা লন্ডন প্রবাসী আবুল আজাদ

প্রকাশিত: ৪:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০

মানবতার ফেরিওয়ালা লন্ডন প্রবাসী আবুল আজাদ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে ভালোবাসেন সুনামগঞ্জের মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের সাদকপুর উচারগাঁ গ্রামের লন্ডন প্রবাসী, গীতিকার, মো: আবুল আজাদ।

তাঁর জন্ম ১৯৭১ সালে সাদকপুর উচারগাঁও গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা: মৃত হাজী আলী আহমদ মাতা: প্রতাব বিবি। বাল্য কাল থেকে মানুষের কল্যানের কাজে নিয়োজিত আছেন। দাদার স্মৃতি ধরে রেখে কলিম শাহ বাউল সংঘ নামে একটি ক্লাব স্থাপন করেছেন। দাদার নামে একটি মাজারও রয়েছে। দাদা মৃত কলিম শাহ একজন পীর ছিলেন, দাদার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কলিম শাহ বাউল সংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর মিলাদ ও উরুছ শরিফ অনুষ্ঠিত হয় । যেখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। নিজ গ্রামের অসহায় কৃষক, জেলে, কামার,কুমারসহ কেউ কোনো ধরনের সমস্যায় পড়লে তাদের দুসময়ে তাদের পাশে ছুটে আসেন। ইউনিয়নসহ যেকোনো এলাকার বিয়ে সাদীসহ যেকোনো সামাজিক কর্মকান্ডে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

মহামারী নভেল করোনা ভাইরাসে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে নগদ অর্থসহ চাল,ডাল, তেল, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাবান, স্যানেটাজার, মাক্স এছাড়া শিশুদের জন্য দুধ, বিস্কুট, চকলেট, বেবি লোশন ইত্যাদি বিতরন অব্যাহত রয়েছে।

নিজ গ্রামের এমন কোনো দরিদ্র পরিবার নেই যে পরিবারে তিনি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেননি। তিনি শুরুতে ঘোষণা দিয়েছিলেন তার এলাকার কাউকে না খেয়ে অভুক্ত থাকতে হবে না। তিনি তার কথা শতভাগ রেখেছেন।

‘শুধু ত্রাণ নয়, মহা এ দুর্যোগ মুহুর্তে লন্ডন প্রবাসী আবুল আজাদকে সার্বক্ষণিক কাছে পেয়ে এলাকাবাসী উৎফুল্ল ও অনুপ্রাণিত। অনেকেই মন্তব্য করেছেন তিনি শুধু এক প্রবাসী নন সবার কাছে এখন একজন প্রকৃত ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’। প্রাণঘাতি করোনার এ বিপদসংকুল মুহূর্তে মৃত্যুকে ‘পরোয়া’ না করে ভয়কে জয় করে এলাকাবাসীর পাশে সার্বক্ষণিক থেকে তাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ‘করোনা’ জয়ে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে লন্ডন প্রবাসী আবুল আজাদ বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমৃত্যু দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করে গেছেন। তার সুযোগ্য কন্যা ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মহান সেই পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশ ও জাতির ভাগ্যোন্নয়নে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার সৈনিক হিসেবে আমিও সেই আদর্শকে ধারণ ও লালন করে মানবসেবায় আমৃত্যু কাজ করে যাবো। দেশের অনেক মানুষ রয়েছেন যাদের দান করার মতো সার্মথ্য রয়েছে তারা যদি অসহায় ও হতদরিদ্র একটু চোখ তুলে তাকান হয়তো তাদের আর না খেয়ে মরতে হবে না।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ