মীরের ময়দানের দোকানের মাল লুটের দায়ে কর্মচারির বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০

মীরের ময়দানের দোকানের মাল লুটের দায়ে কর্মচারির বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক:: সিলেট নগরীর মীরের ময়দানের সেই দোকান থেকে ১২ লাখ টাকার মালামাল লুটপাটের অভিযোগে মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে দোকান মালিক ব্যবসায়ী অনন্ত মোহন পাল কোতোয়ালি থানায় কর্মচারি সাইফুলসহ চার জনের নামে মামলা করেন। মামলা নং ৩। এর আগে তিনি বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক ও পেশাজীবিদের উপস্থিতিতে দোকানটি সমঝে নেন। সম্প্রতি কর্মচারি সাইফুল ইসলাম ব্যবসায়িক অংশীদার দাবি করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ করে গাঢাকা দেন। কিন্তু সবার উপস্থিতিতে এমএম এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানের তালা ভেঙে দোকানে মালামাল লুটের বিষয়টি দেখতে পেয়ে হতবাক হন অনন্ত মোহন পাল।

মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, কর্মচারি সাইফুল তার দোকান থেকে দুটি, ফ্রিজ, চাল-ডালের বস্তসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়েছেন। প্রমাণ না রাখতে দোকানের সিসি ক্যামেরাও খুলে নিয়ে যায়। এতে অন্তত ১২ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন জানান, তার সাথে ভাই সামসুল, উমেদ ও একজন ট্রাক চালক জড়িত।

জানা গেছে, দোকান কর্মচারি সাইফুল ইসলাম হিসাব না দিয়ে পালানোর ঘটনায় গত ১৫ মে কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরী (নং-৭০৭) করেন তিনি। এতে কর্মচারি সাইফুলের বিরুদ্ধে হিসাব বুঝিয়ে না দেওয়ার অভিযোগ আনেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কাঠালবাড়ি গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে সাইফুল ইসলামকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দেন নগরীর মীরের ময়দানের মোহন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের স্বত্বাধিকারী অনন্ত মোহন পাল। তিনি পাশ্ববর্তী এলাকায় এম এম এন্টারপ্রাইজ নামে আরেকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে সাইফুল ইসলামকে দায়িত্ব দেন। ব্যবসা শুরুর কয়েক মাসের মধ্যে হিসাব চাইতে গেলে টালবাহানা করেন সাইফুল। মালিককে অবগত না করে সাড়ে ৪ হাজারের স্থলে ১০ টাকা বেতন নেন এবং নিজে ৮ হাজার টাকা বেতনে আরেক কর্মচারি রাখেন। এ নিয়ে অনন্ত মোহন পালের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। নিজেকে রক্ষায় রাজনৈতিক নেতার আশ্রয়ও নেন। এরই মধ্যে সালিশ বৈঠকের প্রস্তাব দিয়ে কালক্ষেপন করে সাইফুল। এক পর্যায়ে মালিকের অগোচরে তালা ভেঙে দোকানের ফ্রিজসহ অন্তত; ১২ লাখ টাকার মালামাল লুটে নিয়ে আরেক সেট নতুন তালা ঝুলিয়ে রাখেন। এ অবস্থায় বিভিন্ন পেশাজীবী ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার তালা ভেঙে দোকানে লুটের বিষয়টি দেখতে পান।

ঘটনাটি তাৎক্ষনিক কোতোয়ালি থানাকে অবহিত করেন অনন্ত মোহন পাল। খবর পেয়ে কোতোয়ালি পুলিশের এএসআই কৌশিক ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেন। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানান, মামলার তদন্ত চলছে। আসামি গ্রেফতার ও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ