মোবাইল ছিনতাইকে কেন্দ্র করে নগরীর ঘাসিটুলায় ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা আহত

প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০২০

মোবাইল ছিনতাইকে কেন্দ্র করে নগরীর ঘাসিটুলায় ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা আহত

সিল-নিউজ-বিডি ডেস্ক :: সিলেট নগরীর ঘাসিটুলা এলাকায় (হাজী রশিদ আলী ভিলা) কলোনীতে মোবাইল ছিনতাইর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাহতের ঘটনা ঘটেছে। গত ১১ জুন বিকাল ৪টার দিকে কলোনী ভিতরে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আব্দুল মতিন রানা আহমদের চাচা। সবুজ সেনা ব্লক বি ৭০নং বাসার মো: মঈন উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মতিন (৩০)। সবুজ সেনা ব্লক বি ৬৭ নং বাসার সেলিম মিয়ার ছেলে রানা আহমদ (২৫)। ভাতিজা রানা আহমদের ছুরিকাঘাতে চাচা আব্দুল মতিন আহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় আব্দুল মতিন(৩০)কে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনাস্থানের সূত্র জানা যায়, ঘাসিটুলায় এলাকার হাজী রশিদ আলীর কলোনীতে, রানীর মার ঘরে আব্দুল মতিন, রানা আহমদ, এবং জাহাঙ্গীর সহ অনেকে এক সাথে গাজাঁ এবং মাদক সেবন করত। ঐদিন জাহাঙ্গীর, রানা আহমদের মোবাইল ছিনতাই করে আব্দুল মতিন এর কাছে জমা দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেন তাদের মাঝে বাকবিতান্ডা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে রানা আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে জাহাঙ্গীরকে ছুরি দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করে। পরে আব্দুল মতিনকে ছুরিকাঘাত করে রানা আহমদ পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, যে আমি রানা আহমদের মোবাইলটি লুকিয়ে নিয়ে মতিন এর কাছে জামা রাখি। রানা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারা চেষ্টা করে , আমি নিজেকে রক্ষা করে তাহার সামন থেকে পালিয়ে যাই । তখন সে আব্দুল মতিনকে ছুরিকাঘাত করে সে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ঘাসিটুলায় এলাকার হাজী রশিদ আলীর কলোনীর ভাড়াটিয়া রানীর মার সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি জানান, তারা তিন জন কলোনীর ভিতরে সব সময় আমার ঘরে আড্ডা দিতো। আমরা ভাড়াটিয়া তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে পারিনি। তারা ঐ এলাকার স্থানীয় প্রভাবশালী লোক। ঘটনার সময় তার তিন জনই আমার ঘরে ছিলো। তখন আমি ঘর থেকে বাহির হয়ে অন্যস্থানে চলে যাই। আমি কিছু দেখিনি। লোক মুখে জানতে পারলাম আমাদের কলোনীর পুকুর পাড়ে মারা মারি ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিক আমি সেখানে ছুটে যাই । দেখি আব্দুল মতিন রক্তাক্ত অবস্থায় বুকে হাতে দিয়ে বলছে বাবা আমাকে রানা ছুরিকাঘাত করে পালিয়েছে- আমাকে বাঁচাও।

এ বিষয়ে লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক রেজাউল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়া মাত্র আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহত অবস্থায় আঃ মতিনকে উদ্ধার করেছি। পরে স্থানীয় লোক মারফতে ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ