রাতারগুল সোয়াম ফরেস্টে বনবিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৫

প্রকাশিত: ৮:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২০

রাতারগুল সোয়াম ফরেস্টে বনবিভাগের অভিযানে গ্রেফতার ৫
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে অবস্থিত রাতারগুল জলাবনটিকে ১৯৭৩ সালে সংরক্ষিত ঘোষণা করে বন বিভাগ। রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সমৃদ্ধ জলার বন। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা হিজল-করচ-বরুণগাছের পাশাপাশি বেত, ইকরা, খাগড়া, মূর্তা ও শণজাতীয় গাছ রাতারগুলকে জলার বন হিসেবে অনন্য করেছে। বনে ৭৩ প্রজাতির উদ্ভিদের সঙ্গে ২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৭৫ প্রজাতির পাখি ও ৯ প্রজাতির উভচর প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। এই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জাতীয় উদ্যান পরিকল্পনার আওতায় ওয়াচটাওয়ার নির্মাণসহ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়। রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট জলাবনে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের দ্বারা মাছ, বিভিন্ন জাতের পাখি, গাছ কাটা চলছেই।এই চক্র টি সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন রাতে মাছ,পাখি,হিজল-করচগাছ নিধন করে সংরক্ষিত বনের ক্ষতি করেই চলেছে বলে জানান সমাজকর্মীরা।চক্রটি শুধু নিজেদের লাভের আশায় এই চক্র সামগ্রিকভাবে বনের ক্ষতি করে চলেছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা হিজল-করচগাছ উজাড়ে এ প্রবণতা বন্ধ না হলে অচিরেই জলাবন ঝুঁকির মুখে পড়বে। এর ফলে বনে পর্যটকদের আনাগোনা কমে যেতে পারে। তাই দেশের বনাঞ্চল এবং পর্যটন খাতের বিকাশে সংঘবদ্ধ চক্রের গাছ কাটা বন্ধে ২০ অক্টবোর রাত তিন ঘটিকার সময় রেঞ্জ কর্মকর্তা ৃমোঃ সাদ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে রাতারগুল বিটের বিট কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদ ও ষটাফ সহ এবং সহ ব্যবসহাপনা কমিটির সভাপতি জনাব মাহবুব আলম সহ বন বিভাগের বিশেষ টহল বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সিলেট মহোদয়ের নির্দেশনায় রাতারগুল জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকার ওয়াচ টাওয়ার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে বিশ প্রয়োগের মাধ্যমে মাছ ধরা,,পাখি শিকার করা অবস্হায় ১, ফিরুজ মিয়া (৩৫)পিং মঙ্গল আলি ২, সোহেল আহমদ(৩০)পিং আনোয়ার হোসেন ৩,শুক্কুর(৩০)পিং কুদ্দুছ আলি ৪,জহিন উদিদন(২৮)পিং আমির আলি ৫, মনির আহমদ(২৭),পিং আঃ সালাম সর্বসাং চালিতা বাড়ি কে হাতে নাতে ধৃত করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট বন বিভাগ কর্মকর্তা সারী রেঞ্জ অফিসার মোঃ সাদ উদ্দিন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আমাদের ফেইসবুক পেইজ