‘রাত কাটানো, মদ্যপান ভারতীয় নারীর পরিচয় নয়’

প্রকাশিত: ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০

‘রাত কাটানো, মদ্যপান ভারতীয় নারীর পরিচয় নয়’

অনলাইন ডেস্ক :;

রাত কাটানো ও মদ্যপান ভারতীয় নারীর পরিচয় নয় বলে মন্তব্য করেছে ভারতের কর্নাটক হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার একটি ধর্ষণ মামলার পর্যবেক্ষণে বিচারপতি কৃষ্ণ এস দীক্ষিত এমন মন্তব্য করেন। খবর এনডিটিভি।

আদালত বলেছে, ধর্ষণের পর ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়া ভারতীয় নারীদের সংস্কৃতির সঙ্গে বেমানান। কোনো ভারতীয় নারী নির্যাতিত হলে কখনো এই ধরনের আচরণ করে না।

আর এমন পর্যবেক্ষণের ওপর ভর করে ধর্ষণে অভিযুক্তকে জামিনও দিয়েছে কর্নাটক হাইকোর্ট।

পাশাপাশি মামলাটির যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে আদালত বলেছে, ‘আদালতের সামনে দাখিল করা তথ্য-প্রমাণে চোখ বুলিয়ে বিশ্বাস হচ্ছে না অভিযুক্ত বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেছেন।’

জানা গেছে, নিগৃহীতা, অভিযুক্তের সংস্থায় দুবছর ধরে কাজ করছেন।

অভিযুক্তের পক্ষে করা জামিন মামলার শুনানিতে আদালত বলেছে, ‘বয়ানে নিগৃহীতা বলে দাবি করা নারী স্পষ্ট করেননি, কেন তিনি রাত ১১টার সময় অফিসে গিয়েছিলেন। অভিযুক্ত তাকে মদ্যপানের প্রস্তাব দিলেও তিনি না করেনি। এমনকি সারারাত অভিযুক্তের সঙ্গে রাত কাটানোয় কোনো আপত্তি তোলেননি অভিযোগকারী। রাত কাটানো প্রসঙ্গে আবার নিগৃহীতা বলেছেন, সেই নির্যাতনের পর তিনি ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এটা ভারতীয় নারীর সংস্কৃতির সঙ্গে বেমানান।’

এদিকে আদালতের বাইরে আপস হলে মামলা প্রত্যাহার করবেন নিগৃহীতা। এমন একটা প্রস্তাব গেছে অভিযুক্তের কাছে। আদালত সেই প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছে।

আদালতের বক্তব্য, ‘এর আগে বহুবার অভিযুক্ত নিগৃহীতাকে যৌন নিগ্রহ করেছে। এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাহলে তখন কেন তিনি
কোর্টের দ্বারস্থ হননি?’

পাশাপাশি অভিযুক্তকে এক লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে শর্তাধীনে জামিন দিয়ে আদালত স্পষ্ট করেছে, তথ্য-প্রমাণে লোপাট করতে পারবেন না আবেদনকারী।‘রাত কাটানো, মদ্যপান ভারতীয় নারীর পরিচয় নয়’

অনলাইন ডেস্ক ২৬ জুন ২০২০, ১১:৩১:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত

রাত কাটানো ও মদ্যপান ভারতীয় নারীর পরিচয় নয় বলে মন্তব্য করেছে ভারতের কর্নাটক হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার একটি ধর্ষণ মামলার পর্যবেক্ষণে বিচারপতি কৃষ্ণ এস দীক্ষিত এমন মন্তব্য করেন। খবর এনডিটিভি।

আদালত বলেছে, ধর্ষণের পর ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়া ভারতীয় নারীদের সংস্কৃতির সঙ্গে বেমানান। কোনো ভারতীয় নারী নির্যাতিত হলে কখনো এই ধরনের আচরণ করে না।

আর এমন পর্যবেক্ষণের ওপর ভর করে ধর্ষণে অভিযুক্তকে জামিনও দিয়েছে কর্নাটক হাইকোর্ট।

পাশাপাশি মামলাটির যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে আদালত বলেছে, ‘আদালতের সামনে দাখিল করা তথ্য-প্রমাণে চোখ বুলিয়ে বিশ্বাস হচ্ছে না অভিযুক্ত বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেছেন।’

জানা গেছে, নিগৃহীতা, অভিযুক্তের সংস্থায় দুবছর ধরে কাজ করছেন।

অভিযুক্তের পক্ষে করা জামিন মামলার শুনানিতে আদালত বলেছে, ‘বয়ানে নিগৃহীতা বলে দাবি করা নারী স্পষ্ট করেননি, কেন তিনি রাত ১১টার সময় অফিসে গিয়েছিলেন। অভিযুক্ত তাকে মদ্যপানের প্রস্তাব দিলেও তিনি না করেনি। এমনকি সারারাত অভিযুক্তের সঙ্গে রাত কাটানোয় কোনো আপত্তি তোলেননি অভিযোগকারী। রাত কাটানো প্রসঙ্গে আবার নিগৃহীতা বলেছেন, সেই নির্যাতনের পর তিনি ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এটা ভারতীয় নারীর সংস্কৃতির সঙ্গে বেমানান।’

এদিকে আদালতের বাইরে আপস হলে মামলা প্রত্যাহার করবেন নিগৃহীতা। এমন একটা প্রস্তাব গেছে অভিযুক্তের কাছে। আদালত সেই প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছে।

আদালতের বক্তব্য, ‘এর আগে বহুবার অভিযুক্ত নিগৃহীতাকে যৌন নিগ্রহ করেছে। এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাহলে তখন কেন তিনি
কোর্টের দ্বারস্থ হননি?’

পাশাপাশি অভিযুক্তকে এক লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে শর্তাধীনে জামিন দিয়ে আদালত স্পষ্ট করেছে, তথ্য-প্রমাণে লোপাট করতে পারবেন না আবেদনকারী।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun

আমাদের ফেইসবুক পেইজ