রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে পরিবর্তন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর

প্রকাশিত: ১১:৪০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১

রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে পরিবর্তন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর

অনলাইন ডেস্ক

অভ্যুত্থানের নায়কদের সুরক্ষা দিতে রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও বিদ্রোহ আইনে পরিবর্তন এনেছে সেনাবাহিনী।

প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দমন করতে সাইবার নিরাপত্তা আইনে পরিবর্তনের খসড়াও তৈরি করেছে জান্তা।

অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পরিচালনায় স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিল (এসএসি) গঠন করেন সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং।

সেই এসএসি এখন সামরিক জান্তাদের রক্ষায় মিয়ানমারের কঠোর বিদ্রোহ ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা আইনে পরিবর্তন এনেছে।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২১, ১২৪ ও দণ্ডবিধির ৫০৫ ধারা সংশোধনের মাধ্যমে এটি করা হয়েছে। আইন উপদেষ্টা সাই অং মাইন্ট ও বলেন, ‘দণ্ডবিধি সংশোধন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ।

কারণ মাদার ল’ বা সংবিধানেও দণ্ডবিধি থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হয়। তারা এই সংশোধনী এনেছে যাতে পরবর্তী প্রশাসন ও সরকার তাদের বিচারের আওতায় আনতে না পারে।

কিন্তু আইন অতীতে প্রযোজ্য বিবেচনায় নিয়ে তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে।

সাইবার নিরাপত্তা আইনে পরিবর্তন এনে সামরিক বাহিনীর তৈরি নতুন একটি খসড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।

এক যৌথ বিবৃতিতে চেম্বারগুলো বলেছে, এই আইনে পুরো ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে জান্তাকে। আইনে পরিবর্তন এনে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এমনটি করছে সেনাশাসকরা।

২০০৮ সালে করা সংবিধানে সেনাবাহিনীর জন্য ২৫ শতাংশ আসন এবং স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও সীমান্ত মন্ত্রণালয় ছাড়াও প্রাদেশিক প্রশাসন বরাদ্দ রাখা হয়।

কিন্তু দ্বিতীয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনেই এনএলডি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় সেনাদের খায়েশ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। ফলে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে অভ্যুত্থান ঘটায় জান্তা।

এবার নিজেদের তৈরি সংবিধান ও দণ্ডবিধিতে পরিবর্তন এনে দায়মুক্তি ও ক্ষমতা পোক্ত করছে সেনারা।

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

আমাদের ফেইসবুক পেইজ